গান-কবিতা-ফুটবলে ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ

দেশব্যাপী অব্যাহত শিশুকন্যা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে ‘আর না ঝরুক শিশুফুল’স্লোগানে ময়মনসিংহে ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নগরের চর বড়বিলা নীলের কুঠি এলাকার একটি মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পরম্পরা’। এসময় গান, কবিতা ও ফুটবল খেলার মধ্য দিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। কর্মসূচী থেকে সামাজিক সচেতনতা তৈরির আহ্বানও জানানো হয়। আয়োজোকরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে শিশুকন্যাদের ওপর ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব ঘটনার দ্রুত বিচার এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাতেই তারা খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। কর্মসূচিতে চর বড়বিলা নীলের কুঠি গ্রামের কিশোর, তরুণ, যুবক এবং স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে দুটি দলের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ধর্ষণবিরোধী গান পরিবেশনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। ‘এ মানুষ মরলে পরে বিচার হবে কার’ গানটির সঙ্গে খেলোয়াড়রা মাঠে নামার প্রস্তুতি নেন। পরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকন্যা প্রতীকী উদ্বোধনের মাধ্যমে ফুটবল ম্যাচ শুরু করে

গান-কবিতা-ফুটবলে ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ

দেশব্যাপী অব্যাহত শিশুকন্যা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে ‘আর না ঝরুক শিশুফুল’স্লোগানে ময়মনসিংহে ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নগরের চর বড়বিলা নীলের কুঠি এলাকার একটি মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পরম্পরা’।

এসময় গান, কবিতা ও ফুটবল খেলার মধ্য দিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। কর্মসূচী থেকে সামাজিক সচেতনতা তৈরির আহ্বানও জানানো হয়।

আয়োজোকরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে শিশুকন্যাদের ওপর ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব ঘটনার দ্রুত বিচার এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাতেই তারা খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

কর্মসূচিতে চর বড়বিলা নীলের কুঠি গ্রামের কিশোর, তরুণ, যুবক এবং স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের নিয়ে দুটি দলের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

গান-কবিতা-ফুটবলে ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ

ধর্ষণবিরোধী গান পরিবেশনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। ‘এ মানুষ মরলে পরে বিচার হবে কার’ গানটির সঙ্গে খেলোয়াড়রা মাঠে নামার প্রস্তুতি নেন। পরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকন্যা প্রতীকী উদ্বোধনের মাধ্যমে ফুটবল ম্যাচ শুরু করে। খেলা চলাকালেই মঞ্চে একের পর এক ধর্ষণবিরোধী গান ও কবিতা পরিবেশিত হয়। এতে শিশু, কিশোর, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেন।

চর বড়বিলা গ্রামের বাসিন্দা আসকর আলী বলেন, ‘চারদিকে যেভাবে ধর্ষণের খবর পাই, তাতে কন্যাশিশুদের নিয়ে সব সময় ভয়-আতঙ্কে থাকতে হয়। আমরা সন্তানদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ চাই।’

স্থানীয় সংগীতশিল্পী খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু শাস্তি দিলেই হবে না, এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনও গড়ে তুলতে হবে। তরুণরা খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে তারা ধর্ষণ, মাদকসহ নানা সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে থাকবে।’

আয়োজক সংগঠন ‘পরম্পরা’র সভাপতি শামীম আশরাফ বলেন, ‘ধর্ষণের বিরুদ্ধে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে সোচ্চার হোক। ফুটবল বিশ্বকাপের আবহে মাঠ থেকেও প্রতিবাদের বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক। শিশুরা যেন সর্বত্র নিরাপদ থাকে। শুধু আলোচিত নয়, সব ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’

হোসাইন সুলভ/এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow