গার্দিওলা-সালাহর অশ্রুসিক্ত বিদায়

রেলিগেশন লড়াইয়ের এই মহানাটকের শেষ দিনে ইংলিশ ফুটবল বিদায় জানালো দুই কিংবদন্তিকে। ম্যানচেস্টার সিটির ডাগআউটে ১০ বছরের বর্ণিল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন পেপ গার্দিওলা। ১৭টি মেজর ট্রফি (যার মধ্যে ৬টি প্রিমিয়ার লিগ) জেতানো এই মাস্টারমাইন্ডের শেষ ম্যাচটি অবশ্য সুখকর হয়নি, অ্যাস্টন ভিলার কাছে ২-১ গোলে হেরেছে সিটি। ম্যাচ শেষে বার্নার্ডো সিলভা ও জন স্টোন্সের মতো শিষ্যদের কাছ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ পেয়ে সাইডলাইনে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন গার্দিওলা। অন্যদিকে, অ্যানফিল্ডে শেষবারের মতো লিভারপুলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন ‘মিশরীয় রাজা’ মোহাম্মদ সালাহ। ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। বদলি হিসেবে মাঠ ছাড়ার সময় পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে তাকে করতালি দেয় এবং সালাহ অ্যানফিল্ডের ঘাস ছুঁয়ে আবেগঘন বিদায় নেন। লিভারপুলের হয়ে ৪৪২ ম্যাচে ২৫৭ গোল করা এই ফরোয়ার্ডও মাঠ ছাড়েন চোখে জল নিয়ে। ফুটবলে কখনো কখনো অবনমন বা রেলিগেশন এড়ানোই যেন কোনো ট্রফি বা শিরোপা জয়ের চেয়ে বড় আনন্দ নিয়ে আসে। প্রিমিয়ার লিগের নাটকীয় শেষ দিনে ঠিক তেমন এক অবিশ্বাস্য আনন্দের জোয়ারে ভাসলো টটেনহ্যাম হটস্পার (স্পার্

গার্দিওলা-সালাহর অশ্রুসিক্ত বিদায়
রেলিগেশন লড়াইয়ের এই মহানাটকের শেষ দিনে ইংলিশ ফুটবল বিদায় জানালো দুই কিংবদন্তিকে। ম্যানচেস্টার সিটির ডাগআউটে ১০ বছরের বর্ণিল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন পেপ গার্দিওলা। ১৭টি মেজর ট্রফি (যার মধ্যে ৬টি প্রিমিয়ার লিগ) জেতানো এই মাস্টারমাইন্ডের শেষ ম্যাচটি অবশ্য সুখকর হয়নি, অ্যাস্টন ভিলার কাছে ২-১ গোলে হেরেছে সিটি। ম্যাচ শেষে বার্নার্ডো সিলভা ও জন স্টোন্সের মতো শিষ্যদের কাছ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ পেয়ে সাইডলাইনে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন গার্দিওলা। অন্যদিকে, অ্যানফিল্ডে শেষবারের মতো লিভারপুলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন ‘মিশরীয় রাজা’ মোহাম্মদ সালাহ। ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। বদলি হিসেবে মাঠ ছাড়ার সময় পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে তাকে করতালি দেয় এবং সালাহ অ্যানফিল্ডের ঘাস ছুঁয়ে আবেগঘন বিদায় নেন। লিভারপুলের হয়ে ৪৪২ ম্যাচে ২৫৭ গোল করা এই ফরোয়ার্ডও মাঠ ছাড়েন চোখে জল নিয়ে। ফুটবলে কখনো কখনো অবনমন বা রেলিগেশন এড়ানোই যেন কোনো ট্রফি বা শিরোপা জয়ের চেয়ে বড় আনন্দ নিয়ে আসে। প্রিমিয়ার লিগের নাটকীয় শেষ দিনে ঠিক তেমন এক অবিশ্বাস্য আনন্দের জোয়ারে ভাসলো টটেনহ্যাম হটস্পার (স্পার্স) শিবির। মাঠের লড়াইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েস্ট হ্যামকে বিদায় করে দিয়ে শীর্ষ বিভাগে নিজেদের টিকিয়ে রাখলো তারা, যা দলটির সমর্থকদের কাছে কোনো শিরোপা উৎসবের চেয়ে কম ছিল না। লিগের শেষ ম্যাচে এভারটনের মুখোমুখি হয়েছিল স্পার্সরা। সমীকরণ ছিল জটিল—হয় জিততে হবে, না হয় অবনমনের স্বাদ নিতে হবে। তবে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কোচ রবার্তো দে জের্বির অধীনে যেন খোলস ছেড়ে বের হয় টটেনহ্যাম। এভারটনকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা ৪৯তম মৌসুমের জন্য নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে তারা। শেষ ৫ ম্যাচের ৩টিতেই জয় তুলে নিয়ে এই অবিশ্বাস্য উদ্ধারপর্ব সম্পন্ন করলো স্পার্সরা। অন্য মাঠে লিডস ইউনাইটেডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি ওয়েস্ট হ্যামের। স্পার্সরা জিতে যাওয়ায় মাত্র ২ পয়েন্টের ব্যবধানে দীর্ঘ ১৪ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন ঘটলো ওয়েস্ট হ্যামের। ম্যাচ শেষে ওয়েস্ট হ্যামের অধিনায়ক জ্যারড বোয়েন কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, ‘আমাদের এই অবস্থানে থাকার কথা ছিল না, কিন্তু আমরা টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট করতে পারিনি। এখন শুধু কষ্টটাই সঙ্গী।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow