গার্মেন্টস শ্রমিকদের ‘রহস্যজনক’ অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তি শতাধিক
গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত এক্সপার্ট ভিলেজ লিমিটেড নামের একটি গার্মেন্টস কারখানার শতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আক্রান্ত শ্রমিকদের প্রথমে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ শ্রমিক বমি, শ্বাসকষ্ট ও অস্বস্তিজনিত উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্থানীয় ও কারখানা সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে নভেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকরা গতকাল শনিবার সারাদিন কর্মবিরতি ও আন্দোলন করেন। একই দাবিতে রোববার সকালে কাজে যোগ দিয়ে পুনরায় আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকরা। আন্দোলনের মধ্যেই হঠাৎ করে একে একে শ্রমিকরা অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন। তবে কী কারণে এ অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. নাফিয়া শারমিন কালবেলাকে বলেন, আক্রান্ত শ্রমিকদের প্যানিক অ্যাটাক, বমি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশই এখন আশঙ্কামুক্ত। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত
গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত এক্সপার্ট ভিলেজ লিমিটেড নামের একটি গার্মেন্টস কারখানার শতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আক্রান্ত শ্রমিকদের প্রথমে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রোববার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ শ্রমিক বমি, শ্বাসকষ্ট ও অস্বস্তিজনিত উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
স্থানীয় ও কারখানা সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটিতে নভেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকরা গতকাল শনিবার সারাদিন কর্মবিরতি ও আন্দোলন করেন। একই দাবিতে রোববার সকালে কাজে যোগ দিয়ে পুনরায় আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকরা। আন্দোলনের মধ্যেই হঠাৎ করে একে একে শ্রমিকরা অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন। তবে কী কারণে এ অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. নাফিয়া শারমিন কালবেলাকে বলেন, আক্রান্ত শ্রমিকদের প্যানিক অ্যাটাক, বমি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশই এখন আশঙ্কামুক্ত।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান কালবেলাকে বলেন, ঘটনার কারণ জানতে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে প্রতিষ্ঠানটির অ্যাডমিন ম্যানেজার সুজন কালবেলাকে বলেন, এই মুহূর্তে তদন্ত চলমান থাকায় আমরা নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত আপনাদের জানানো হবে।
ঘটনার পর কারখানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক ও স্থানীয়রা।
What's Your Reaction?