গাড়িবহর থামিয়ে কবরে নেমে মরদেহ দাফনে অংশ নিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় প্রটোকল আর পদের আভিজাত্য একপাশে সরিয়ে রেখে চলন্ত গাড়িবহর থামিয়ে সরাসরি কবরে নেমে এক সাধারণ মানুষের দাফন কাজে অংশ নিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইলে সড়কের পাশে দাফন কার্যক্রম দেখে গাড়ি থেকে নেমে তাঁর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও মানবিকতার ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো প্রশংসায় ভাসছে। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে নান্দাইল পৌর এলাকার গারুয়া গ্রামের মৃত আমির হোসেনের পুত্র আজিমুল মিয়া (৪০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বিকেলে নিজ বাড়ির পাশেই দাফন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পরিবার ও এলাকাবাসী। এর মধ্যে শুরু হয় টিপ টিপ বৃষ্টি। এসময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তি ফলক স্থাপন শেষে বাড়ি ফেরার সময় বিষয়টি তার নজরে আসে। তাৎক্ষণিক তিনি গাড়িবহর থামিয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে কবরে নেমে পড়েন। অন্যদের সঙ্গে তিনি নিজ হাতে মরদেহ কবরে নামান। প্রতিমন্ত্রী সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় দাফন কাজ দেখে, কাউকে কিছু না বলে কোনো প্রটোকল ছাড়াই দাফনকার্যে অংশ নেওয়ার বিষয়টি উপস্থিত সবাইকে অবাক ক

গাড়িবহর থামিয়ে কবরে নেমে মরদেহ দাফনে অংশ নিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় প্রটোকল আর পদের আভিজাত্য একপাশে সরিয়ে রেখে চলন্ত গাড়িবহর থামিয়ে সরাসরি কবরে নেমে এক সাধারণ মানুষের দাফন কাজে অংশ নিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইলে সড়কের পাশে দাফন কার্যক্রম দেখে গাড়ি থেকে নেমে তাঁর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও মানবিকতার ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো প্রশংসায় ভাসছে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে নান্দাইল পৌর এলাকার গারুয়া গ্রামের মৃত আমির হোসেনের পুত্র আজিমুল মিয়া (৪০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বিকেলে নিজ বাড়ির পাশেই দাফন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পরিবার ও এলাকাবাসী। এর মধ্যে শুরু হয় টিপ টিপ বৃষ্টি। এসময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তি ফলক স্থাপন শেষে বাড়ি ফেরার সময় বিষয়টি তার নজরে আসে। তাৎক্ষণিক তিনি গাড়িবহর থামিয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে কবরে নেমে পড়েন। অন্যদের সঙ্গে তিনি নিজ হাতে মরদেহ কবরে নামান। প্রতিমন্ত্রী সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় দাফন কাজ দেখে, কাউকে কিছু না বলে কোনো প্রটোকল ছাড়াই দাফনকার্যে অংশ নেওয়ার বিষয়টি উপস্থিত সবাইকে অবাক করে।

হানিফ মিয়া নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, দাফন শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সবার সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি পুনরায় তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পদের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন দৃশ্য বর্তমান সময়ে বিরল। এটি মানবিকতার পরিচয় বহন করে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. এনামুল কাদির বলেন, সরকারি প্রটোকল উপেক্ষা করে একজন মন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে সরাসরি অংশ নিতে দেখে আমরা অভিভূত হয়েছি। এটি বর্তমান সময়ে এক বিরল দৃশ্য।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে লাশের খাটিয়া ধরবেন এবং কবরে নামবেন- এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। তার এই আচরণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতারই প্রকাশ।

কামরুজ্জামান মিন্টু/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow