গাড়ির ভেতরে শৌচাগার, চীনা প্রতিষ্ঠানের অভিনব আবিষ্কার
চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেরেস একটি অভিনব ‘ইন ভেহিকেল টয়লেট’ বা গাড়ির ভেতরে ব্যবহারযোগ্য শৌচাগারের জন্য পেটেন্ট পেয়েছে। ‘ভয়েস কমান্ডের’ মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত এ শৌচাগার যাত্রাপথে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পেটেন্ট আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ভ্রমণ, ক্যাম্পিং বা গাড়িতে অবস্থানের সময় ব্যবহারকারীদের শৌচাগার প্রয়োজন মেটাতেই এ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করা হয়েছে।
পেটেন্ট অনুযায়ী, শৌচাগারটি যাত্রীর সিটের নিচে লুকানো থাকবে। প্রয়োজনের সময় নির্দিষ্ট বোতাম চাপলে বা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এটি বের হয়ে আসবে। এটিতে ফ্যান ও নির্গমন পাইপও থাকবে, যা দুর্গন্ধ গাড়ির বাইরে বের করে দেবে।
এছাড়া, বর্জ্য সংগ্রহের জন্য একটি ট্যাংকও রয়েছে বিশেষ এ শৌচাগারে। শৌচাগারটিতে এমন এক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত করতে ও অন্যান্য বর্জ্য শুকাতে সাহায্য করবে।
তবে এখনও পর্যন্ত নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেরেস এমন কোনো গাড়ি বাজারে আনার ঘোষণা দেয়নি। ফলে এ প্রযুক্তি বাস্তবে উৎপাদন করা হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
অতীতে গাড়ির ভেতরে শৌচাগার নির্মাণের ঘটনা বিরল। এ ধরনের ব্যবস্থা সাধারণত দূরপাল্লার কোচে
চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেরেস একটি অভিনব ‘ইন ভেহিকেল টয়লেট’ বা গাড়ির ভেতরে ব্যবহারযোগ্য শৌচাগারের জন্য পেটেন্ট পেয়েছে। ‘ভয়েস কমান্ডের’ মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত এ শৌচাগার যাত্রাপথে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পেটেন্ট আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ভ্রমণ, ক্যাম্পিং বা গাড়িতে অবস্থানের সময় ব্যবহারকারীদের শৌচাগার প্রয়োজন মেটাতেই এ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করা হয়েছে।
পেটেন্ট অনুযায়ী, শৌচাগারটি যাত্রীর সিটের নিচে লুকানো থাকবে। প্রয়োজনের সময় নির্দিষ্ট বোতাম চাপলে বা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এটি বের হয়ে আসবে। এটিতে ফ্যান ও নির্গমন পাইপও থাকবে, যা দুর্গন্ধ গাড়ির বাইরে বের করে দেবে।
এছাড়া, বর্জ্য সংগ্রহের জন্য একটি ট্যাংকও রয়েছে বিশেষ এ শৌচাগারে। শৌচাগারটিতে এমন এক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত করতে ও অন্যান্য বর্জ্য শুকাতে সাহায্য করবে।
তবে এখনও পর্যন্ত নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেরেস এমন কোনো গাড়ি বাজারে আনার ঘোষণা দেয়নি। ফলে এ প্রযুক্তি বাস্তবে উৎপাদন করা হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
অতীতে গাড়ির ভেতরে শৌচাগার নির্মাণের ঘটনা বিরল। এ ধরনের ব্যবস্থা সাধারণত দূরপাল্লার কোচে দেখা যায়। তবে গাড়িতে এর প্রচলন একেবারেই নেই তা নয়।
বিখ্যাত নিলাম প্রতিষ্ঠান সোথবির মতে, ১৯৫০-এর দশকে রোলস রয়েস সিলভার রেইথের একটি বিশেষ গাড়িতে টেলিভিশন ও শৌচাগারের ব্যবস্থা ছিল।
উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এগিয়ে থাকতে চীনের বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোতে নানা ধরনের সুবিধা যোগ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ম্যাসাজ সিট, কারাওকে সিস্টেম এবং ফ্রিজের মতো সুবিধাও রয়েছে।
চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে অনেক কোম্পানি লাভের মুখ দেখতে পারছে না। তবে সেরেস এবং বিওয়াইডির মতো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে লাভজনক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।