গায়ে হলুদের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
ফেনীর পরশুরামে বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাইমন মজুমদার (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মহেশপুষ্করনী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাইমন মজুমদার পরশুরাম বাজারের ‘সাইমন ইভেন্ট’-এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তিনি পৌর এলাকার মরিয়ম আক্তারের ছেলে। তার বাবার নাম শাহ আলম। সাইমনের পাঁচ বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ হলে তিনি ভাই-বোনকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে কোলাপাড়ায় নানাবাড়িতে বসবাস করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মহেশপুষ্করনী গ্রামের নবী মিয়ার ছেলে মো. নয়নের বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পায় ‘সাইমন ইভেন্ট’। বুধবার রাতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ চলাকালে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত সাইমন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে বিয়েবাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর মো. নয়ন বলেন, “গায়ে হলুদের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সাইমন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে হা
ফেনীর পরশুরামে বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাইমন মজুমদার (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মহেশপুষ্করনী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইমন মজুমদার পরশুরাম বাজারের ‘সাইমন ইভেন্ট’-এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তিনি পৌর এলাকার মরিয়ম আক্তারের ছেলে। তার বাবার নাম শাহ আলম। সাইমনের পাঁচ বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ হলে তিনি ভাই-বোনকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে কোলাপাড়ায় নানাবাড়িতে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মহেশপুষ্করনী গ্রামের নবী মিয়ার ছেলে মো. নয়নের বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পায় ‘সাইমন ইভেন্ট’। বুধবার রাতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ চলাকালে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত সাইমন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে বিয়েবাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর মো. নয়ন বলেন, “গায়ে হলুদের স্টেজে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সাইমন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”
জানা গেছে, সাইমন পরশুরাম বাজারের কলেজ রোডে ‘সাইমন ইভেন্ট’ নামে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
রাত ৯টার দিকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ময়নাতদন্তের জন্য সাইমনের মরদেহ নেওয়ার উদ্যোগ নেয় পুলিশ। তবে স্বজন ও স্থানীয়রা এতে আপত্তি জানান। একপর্যায়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ হাসপাতালে জড়ো হয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিতে বাধা দেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সাইমনের স্বজন আবুল হাশেম জানান, সাইমনের ১০ মাস বয়সী সাইফান মজুমদার নামে এক ছেলে রয়েছে। তার স্ত্রীর নাম রিয়া আক্তার।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় দক্ষিণ কোলাপাড়া আলী আজম চৌধুরী জামে মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজা এবং সকাল ১১টায় পূর্ব সাহেবনগর মৌলভী হায়দার আলী জামে মসজিদের ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, “ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হলে তার স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আপত্তি জানান। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।”
What's Your Reaction?