গুইমারেসের চোট কতটা গুরুতর

নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসার নাম ব্রুনো গুইমারেস। দলের খেলার ছন্দ ও গতি অনেকটাই নির্ভর করে তার ওপর। তবে প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচে দেখা গেল ক্লান্ত ও নিষ্প্রভ এক গুইমারেসকে। শারীরিক অসুস্থতা ও পায়ের সমস্যার কারণে ম্যাচ চলাকালেই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। বিশ্বকাপ সামনে থাকায় তার চোট নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে সমর্থকদের মাঝেও। তবে শেষ পর্যন্ত স্বস্তির খবরই দিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের শারীরিক অবস্থার ব্যাখ্যা দেন গুইমারেস। তিনি জানান, সপ্তাহজুড়ে দুই দিন জ্বরে ভুগেছেন তিনি। ম্যাচের সময় দুই পায়ের পেছনের পেশিতেও টান অনুভব করেন। তবে বড় ধরনের কোনো চোট হয়নি বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি। বিশ্রাম নিয়ে দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরার কথাও জানিয়েছেন এই মাঝমাঠের ফুটবলার। ম্যাচের শুরু থেকেই গুইমারেসকে কিছুটা ধীরগতির মনে হচ্ছিল। কেভিনের দারুণ এক মুক্ত শট থেকে স্বাগতিকদের হয়ে ইসা দিয়োপ মাথা ছুঁইয়ে গোল করলে গুইমারেসকে নিষ্ক্রিয়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। মাঝমাঠের লড়াইয়ের একপর্যায়ে তিনি মাঠেই বসে পড়েন। তার

গুইমারেসের চোট কতটা গুরুতর

নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসার নাম ব্রুনো গুইমারেস। দলের খেলার ছন্দ ও গতি অনেকটাই নির্ভর করে তার ওপর। তবে প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচে দেখা গেল ক্লান্ত ও নিষ্প্রভ এক গুইমারেসকে। শারীরিক অসুস্থতা ও পায়ের সমস্যার কারণে ম্যাচ চলাকালেই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। বিশ্বকাপ সামনে থাকায় তার চোট নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে সমর্থকদের মাঝেও। তবে শেষ পর্যন্ত স্বস্তির খবরই দিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।

ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের শারীরিক অবস্থার ব্যাখ্যা দেন গুইমারেস। তিনি জানান, সপ্তাহজুড়ে দুই দিন জ্বরে ভুগেছেন তিনি। ম্যাচের সময় দুই পায়ের পেছনের পেশিতেও টান অনুভব করেন। তবে বড় ধরনের কোনো চোট হয়নি বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি। বিশ্রাম নিয়ে দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরার কথাও জানিয়েছেন এই মাঝমাঠের ফুটবলার।

ম্যাচের শুরু থেকেই গুইমারেসকে কিছুটা ধীরগতির মনে হচ্ছিল। কেভিনের দারুণ এক মুক্ত শট থেকে স্বাগতিকদের হয়ে ইসা দিয়োপ মাথা ছুঁইয়ে গোল করলে গুইমারেসকে নিষ্ক্রিয়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। মাঝমাঠের লড়াইয়ের একপর্যায়ে তিনি মাঠেই বসে পড়েন। তার শরীরী ভাষাতেই স্পষ্ট ছিল অস্বস্তির ছাপ। এরপর চিকিৎসক দল মাঠে প্রবেশ করলে গুইমারেসকে নিজের পা চেপে ধরে থাকতে দেখা যায়। সেই দৃশ্যেই চোট নিয়ে শঙ্কা বাড়ে। তবে কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি কোচ। তাই তাকে উঠিয়ে বদলি হিসেবে নামানো হয় অ্যান্থনি এলাঙ্গাকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow