গুগল ডুডলে পুরোনোকে বিদায়, নতুন বছরকে স্বাগত

  তানজিদ শুভ্রনতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনায় নতুন পথচলা। আর এই শুভ সূচনালগ্নকে রাঙিয়ে দিতে বরাবরের মতোই নান্দনিক সাজে সেজেছে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। ২০২৫ সালের শেষ প্রহর আর ২০২৬-এর আগমনীকে সামনে রেখে গুগল তাদের হোমপেজে উন্মোচন করেছে এক ঝকঝকে উৎসবমুখর ‘ডুডল’। এবারের নিউ ইয়ার ডুডলটিতে আভিজাত্য আর উৎসবের এক দারুণ মিশেল দেখা যাচ্ছে। গুগলের চিরাচরিত লোগোটিকে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে সোনালি রঙের ঝকঝকে অক্ষরে। লোগোর মাঝখানে ভাসছে রুপালি রঙের বড় বড় বেলুন, যা ২০২৫ সংখ্যাটিকে ধারণ করে আছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো এর ইন্টারেক্টিভ ডিজাইন ব্যবহারকারী যখনই কার্সারটি ডুডলের ওপর নিচ্ছেন, তখনই ২০২৫ বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে ২০২৬। ঠিক যেন মধ্যরাতের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন ঘড়ির কাঁটা বদলে দেয় ক্যালেন্ডারের পাতা। গুগল তার এই সৃজনশীল শিল্পকর্মে কেবল সংখ্যা পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিচে রয়েছে দুটি ডোরাকাটা ‘পার্টি পপার’, যেখান থেকে বেগুনি আর সোনালি রঙের কনফেটি ও স্ট্রিমার ছড়িয়ে পড়ছে। ছোট ছোট তারা আর ঝিকিমিকি আলো পুরো দৃশ্যটিকে একটি জীবন্ত পার্টি মুড এনে দিয়েছে। গুগল তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানিয়

গুগল ডুডলে পুরোনোকে বিদায়, নতুন বছরকে স্বাগত

 

তানজিদ শুভ্র
নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনায় নতুন পথচলা। আর এই শুভ সূচনালগ্নকে রাঙিয়ে দিতে বরাবরের মতোই নান্দনিক সাজে সেজেছে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। ২০২৫ সালের শেষ প্রহর আর ২০২৬-এর আগমনীকে সামনে রেখে গুগল তাদের হোমপেজে উন্মোচন করেছে এক ঝকঝকে উৎসবমুখর ‘ডুডল’।

এবারের নিউ ইয়ার ডুডলটিতে আভিজাত্য আর উৎসবের এক দারুণ মিশেল দেখা যাচ্ছে। গুগলের চিরাচরিত লোগোটিকে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে সোনালি রঙের ঝকঝকে অক্ষরে। লোগোর মাঝখানে ভাসছে রুপালি রঙের বড় বড় বেলুন, যা ২০২৫ সংখ্যাটিকে ধারণ করে আছে।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো এর ইন্টারেক্টিভ ডিজাইন ব্যবহারকারী যখনই কার্সারটি ডুডলের ওপর নিচ্ছেন, তখনই ২০২৫ বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে ২০২৬। ঠিক যেন মধ্যরাতের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যখন ঘড়ির কাঁটা বদলে দেয় ক্যালেন্ডারের পাতা।

গুগল তার এই সৃজনশীল শিল্পকর্মে কেবল সংখ্যা পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিচে রয়েছে দুটি ডোরাকাটা ‘পার্টি পপার’, যেখান থেকে বেগুনি আর সোনালি রঙের কনফেটি ও স্ট্রিমার ছড়িয়ে পড়ছে। ছোট ছোট তারা আর ঝিকিমিকি আলো পুরো দৃশ্যটিকে একটি জীবন্ত পার্টি মুড এনে দিয়েছে।

গুগল তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই বার্ষিক ডুডলটি বিশ্বজুড়ে নতুন বছরের আগের রাতকে উদযাপন করছে। যখন কোটি কোটি মানুষ পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে বিগত বছরের স্মৃতি রোমন্থন করে এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। শিগগির ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ শুরু হবে!’

সময়ের পার্থক্যের কারণে পৃথিবীর একেক প্রান্তে একেক সময় নতুন বছর শুরু হয়। গুগলের এই ডিজিটাল গ্রিটিং কার্ডটি মূলত সেই সময়রেখার বৈচিত্র্যকে এক সুতোয় গেঁথেছে। আপনি যখনই গুগলে লগ-ইন করছেন, এই ঝিকিমিকি ডুডলটি আপনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, সামনের বছরটি হতে যাচ্ছে সম্ভাবনা আর নতুনত্বের।

গুগল প্রায়ই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিবস বা বিশেষ ব্যক্তির স্মরণে সৃজনশীল ডুডল প্রকাশ করে থাকে। এই ডুডলগুলো সাধারণত গুগলের লোগোকে সংশ্লিষ্ট দিবস বা ঘটনার থিম অনুযায়ী রূপান্তরিত করে তৈরি করা হয়, যা সার্চ বক্সের ওপর প্রদর্শিত হয় এবং দিনভর নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। গুগলের অত্যন্ত নান্দনিক ও অভিনব ডুডলগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মনোযোগ সহজেই আকর্ষণ করে থাকে।

বিশেষ কোনো দিন, বিশেষ কোনো ব্যক্তি কিংবা আবিষ্কার নিয়ে সার্চ বক্সের ওপরে নিজেদের লোগোর পরিবর্তে এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নকশার যে লোগো তৈরি করে গুগল, তাকেই বলা হয় ডুডল। এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারেরও বেশি ডুডল বানানো হয়েছে গুগলের পক্ষ থেকে।

প্রথমবারের বিশেষ ডুডল প্রকাশিত হয় ১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট। তবে একেবারে নতুন রূপে বিশেষ ডুডল তৈরি শুরু হয় ২০০৫ থেকে। ২০১০ সাল থেকে গুগল ডুডলে ছোট ছোট গেম খেলারও প্রচলন শুরু হয়। তারপর থেকে যত দিন এগিয়েছে ততই নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই বিশেষ ডুডল।

আরও পড়ুন
গুগল ডুডলে লিপ ডে উদযাপন
গুগল ডুডলে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow