গুমের মামলায় ব্যারিস্টার আরমানের জেরা ২৫ ফেব্রুয়ারি

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় প্রসিকিউশনের সাক্ষী মীর আহমদ বিন কাসেমের (আরমান) জেরার কার্যক্রম পিছিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ব্যারিস্টার আরমানের জেরার জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেন। এ সংক্রান্ত বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, টিএফআই সেলে গুমের মামলায় কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান। সেই মামলায় সাক্ষী ব্যারিস্টার আরমানের জেরার জন্য নির্ধারিত ছিল। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কারণে সংসদ রিলেটেড বেশকিছু কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। এই কারণে এই সাক্ষীর জেরা পেছানোর আবেদন করলে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ব্যারিস্টার আরমান। সেদিন নিজের গুমজীবনের বিস্তারিত তথ্য তিনি আদালতে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের

গুমের মামলায় ব্যারিস্টার আরমানের জেরা ২৫ ফেব্রুয়ারি

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় প্রসিকিউশনের সাক্ষী মীর আহমদ বিন কাসেমের (আরমান) জেরার কার্যক্রম পিছিয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ব্যারিস্টার আরমানের জেরার জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেন।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, টিএফআই সেলে গুমের মামলায় কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান। সেই মামলায় সাক্ষী ব্যারিস্টার আরমানের জেরার জন্য নির্ধারিত ছিল। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কারণে সংসদ রিলেটেড বেশকিছু কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। এই কারণে এই সাক্ষীর জেরা পেছানোর আবেদন করলে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ব্যারিস্টার আরমান। সেদিন নিজের গুমজীবনের বিস্তারিত তথ্য তিনি আদালতে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রাতে তাকে বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে অপহরণ করা হয়।

টিএফআই সেলে গুমের দায়ে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়। সেদিন অভিযোগ গঠনের মধ্যদিয়ে এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়।

টিএফআই সেলে গুমের ঘটনায় ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন, তারা সেনা কর্মকর্তা। এই তালিকায় আছেন কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল মো. কামরুল হাসান, কর্নেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মোমেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন।

এ মামলার পলাতক সাত আসামি হলেন- পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশিদ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর-রশিদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খায়রুল ইসলাম।

এফএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow