গুলি করে ভাইরাল সেই সোহাগ গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি করে আলোচিত হওয়া সেই সন্ত্রাসী সোহাগকে ১০ মাস পর গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী।  মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে ২ সহযোগীসহ মাদক সেবনের আসর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের তিনজনকে পৃথকভাবে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী সোহাগের ২ সহযোগী হলেন- আব্দুল জলিল (৩২) ও মো. পারভেজ (২৫)। তারা তিনজনই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বছরের ৬ মার্চ বিএনপি নেতা মনির হোসেন, রহুল আমিন গ্রুপ ও ছাত্রদল নেতা রাকিবুর রহমান সাগর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সে সংঘর্ষে সোহাগ রাকিবুর রহমান সাগরের পক্ষ হয়ে প্রতিপক্ষের উপর প্রকাশ্যে পিস্তল দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। তার এ গুলি করার দৃশ্যের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পাশাপাশি এ ঘটনা নিয়ে দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণ্যম

গুলি করে ভাইরাল সেই সোহাগ গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি করে আলোচিত হওয়া সেই সন্ত্রাসী সোহাগকে ১০ মাস পর গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে ২ সহযোগীসহ মাদক সেবনের আসর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের তিনজনকে পৃথকভাবে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী সোহাগের ২ সহযোগী হলেন- আব্দুল জলিল (৩২) ও মো. পারভেজ (২৫)। তারা তিনজনই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বছরের ৬ মার্চ বিএনপি নেতা মনির হোসেন, রহুল আমিন গ্রুপ ও ছাত্রদল নেতা রাকিবুর রহমান সাগর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সে সংঘর্ষে সোহাগ রাকিবুর রহমান সাগরের পক্ষ হয়ে প্রতিপক্ষের উপর প্রকাশ্যে পিস্তল দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। তার এ গুলি করার দৃশ্যের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পাশাপাশি এ ঘটনা নিয়ে দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণ্যমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন থেকেই সোহাগ আত্মগোপন করেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। অবষেশে সেনাবাহীর সদস্যরা সোহাগ ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে সোহাগের কাছ থেকে সেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আবদুল বারিক জানান, দুই সহযোগীসহ সোহাগকে গ্রেপ্তার করে হস্তান্তর করেছে যৌথবাহিনী। তখন তারা মাদক সেবন করছিল। তাদের কাছ থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। 

তিনি আরও বলেন, সোহাগের বিরুদ্ধে আগেরও একাধিক মাদক ও ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী জলিল ও পারভেজের বিরুদ্ধেও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা বিচারাধীন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ অস্ত্রের বিষয়ে কিছু স্বীকার করেনি। তাই অস্ত্র উদ্ধার করতে তিনজনকে পৃথকভাবে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার হলে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow