গুলির মুখে বুক পেতে দিচ্ছেন ইরানিরা, রক্তে লাল রাজপথ
ইরানে চলমান বিক্ষোভ আরও সহিংস রূপ নিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের জাহেদান শহরে শুক্রবার সরাসরি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। এতে একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বালুচ মানবাধিকারভিত্তিক ওয়েবসাইট হালভশ।
হালভশের তথ্য অনুযায়ী, জুমার নামাজের পর বালুচ নাগরিকদের বড় বিক্ষোভ শুরু হলে মাক্কি মসজিদের আশপাশে এই গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতেই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়।
এদিকে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে স্টারলিংক কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, শুক্রবার ভাকিলাবাদ বুলেভার্ডে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। তার দাবি, বিক্ষোভের আগে রাতেই ওই সড়কের সব নজরদারি ক্যামেরা অকার্যকর করে দেওয়া হয়। তবে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, উত্তর খোরাসান প্রদেশের এসফারায়েন শহরে সহিংসতায় একজন ইরানি কৌঁসুলি ও কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। প্রদেশটির বিচার বিভাগের প্রধান শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে অস্থিরতার সময় আল
ইরানে চলমান বিক্ষোভ আরও সহিংস রূপ নিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের জাহেদান শহরে শুক্রবার সরাসরি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। এতে একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বালুচ মানবাধিকারভিত্তিক ওয়েবসাইট হালভশ।
হালভশের তথ্য অনুযায়ী, জুমার নামাজের পর বালুচ নাগরিকদের বড় বিক্ষোভ শুরু হলে মাক্কি মসজিদের আশপাশে এই গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতেই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়।
এদিকে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে স্টারলিংক কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, শুক্রবার ভাকিলাবাদ বুলেভার্ডে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। তার দাবি, বিক্ষোভের আগে রাতেই ওই সড়কের সব নজরদারি ক্যামেরা অকার্যকর করে দেওয়া হয়। তবে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, উত্তর খোরাসান প্রদেশের এসফারায়েন শহরে সহিংসতায় একজন ইরানি কৌঁসুলি ও কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। প্রদেশটির বিচার বিভাগের প্রধান শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে অস্থিরতার সময় আলী আকবর হোসেইনজাদেহ নামে ওই সরকারি ও বিপ্লবী কৌঁসুলি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাঠপর্যায়ে তদারকিতে ছিলেন। তখন বিক্ষোভকারীরা তাদের অবস্থানরত ট্রেইলারে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং জরুরি উদ্ধারকর্মীদের সেখানে পৌঁছাতে বাধা দেয়।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন বিক্ষোভকারী এবং দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সরকারের নীতির বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দমন করতে ইরানের বিভিন্ন শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে সহিংসতা ও প্রাণহানির মধ্যেও রাজপথ ছাড়তে নারাজ অনেক বিক্ষোভকারী, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে।