গোপালগঞ্জের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিমুল ঢাকায় আটক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুলকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রমনা কালী মন্দিরের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। জানা গেছে, বুধবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রমনা কালী মন্দিরের সামনে থেকে আশরাফুল আলমকে আটক করা হয়। পরে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। শিমুলের আটক হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। আশরাফুল আলম একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। প্রসঙ্গত, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। গত ৩ জানুয়ারি এক শতাংশ স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় গোপালগঞ্জ রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ উজ্জামান যাচাইবাছাই পর্বে তার মনোনয়ন ফরম বাতিল করেন। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন। আশরাফুল আলম শিমুলের বাবা খায়রুল বাকী মিয়া ১৯৮৫ মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এলাকার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেন। এর কারণে উপজেলাজু
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুলকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রমনা কালী মন্দিরের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, বুধবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রমনা কালী মন্দিরের সামনে থেকে আশরাফুল আলমকে আটক করা হয়। পরে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। শিমুলের আটক হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। আশরাফুল আলম একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। গত ৩ জানুয়ারি এক শতাংশ স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় গোপালগঞ্জ রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ উজ্জামান যাচাইবাছাই পর্বে তার মনোনয়ন ফরম বাতিল করেন। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন।
আশরাফুল আলম শিমুলের বাবা খায়রুল বাকী মিয়া ১৯৮৫ মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এলাকার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেন। এর কারণে উপজেলাজুড়ে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। বাবার সুনাম আর ব্যক্তিগত ইমেজকে পুঁজি করে আশরাফুল আলম শিমুল ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান ও ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
What's Your Reaction?