গোবিপ্রবির ওয়েবসাইটে নেই পর্যাপ্ত তথ্য, হয় না নিয়মিত আপডেট

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার পরিচিতি, নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি, একাডেমিক বিবরণ,  গবেষণাকর্ম ও ফলাফল—সবকিছুর তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের মান সন্তোষজনক হলেও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি)-এর ওয়েবসাইটের অবস্থা বেশ নাজুক। নেই পর্যাপ্ত তথ্য, হয় না নিয়মিত হালনাগাদ।   ওয়েবসাইটে ভুল বা পুরোনো তথ্য থাকায় অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয় শিক্ষার্থীর। অভিযোগ রয়েছে, আধুনিকায়নের অভাবে গোবিপ্রবির ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্পর্কেও পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায় না। ওয়েবসাইটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিস্তারিত পরিচিতিও নেই। শুধু নাম, ছবি, ই-মেইল ও ফোন নম্বরেই সীমাবদ্ধ তথ্য। একজন শিক্ষক কোন বিষয়ে গবেষণা করছেন বা করেছেন, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা গবেষণার কাজে কোন শিক্ষকের কাছ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা পাবেন, তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত পাতার তথ্যও নিয়মিত হালনা

গোবিপ্রবির ওয়েবসাইটে নেই পর্যাপ্ত তথ্য, হয় না নিয়মিত আপডেট
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার পরিচিতি, নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি, একাডেমিক বিবরণ,  গবেষণাকর্ম ও ফলাফল—সবকিছুর তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের মান সন্তোষজনক হলেও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি)-এর ওয়েবসাইটের অবস্থা বেশ নাজুক। নেই পর্যাপ্ত তথ্য, হয় না নিয়মিত হালনাগাদ।   ওয়েবসাইটে ভুল বা পুরোনো তথ্য থাকায় অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয় শিক্ষার্থীর। অভিযোগ রয়েছে, আধুনিকায়নের অভাবে গোবিপ্রবির ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্পর্কেও পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায় না। ওয়েবসাইটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিস্তারিত পরিচিতিও নেই। শুধু নাম, ছবি, ই-মেইল ও ফোন নম্বরেই সীমাবদ্ধ তথ্য। একজন শিক্ষক কোন বিষয়ে গবেষণা করছেন বা করেছেন, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা গবেষণার কাজে কোন শিক্ষকের কাছ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা পাবেন, তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত পাতার তথ্যও নিয়মিত হালনাগাদ করা হয় না। পদোন্নতি পেলেও অনেকের পদবি আগের মতোই রয়ে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিং সংস্থা প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় বিশ্ব র‌্যাংকিংয়েও পিছিয়ে পড়ছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। একাডেমিক ও বিভাগীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তর, নিরাপত্তা শাখা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর, মেডিকেল স্বাস্থ্য শাখা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর, প্রকৌশল দপ্তর, শারীরিক শিক্ষা বিভাগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক শাখা। তবে এসব বিভাগের ওয়েবপেজেও একই চিত্র দেখা যায়। গোবিপ্রবির ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের ওয়েবপেজে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোনো বিজ্ঞপ্তি নেই। অথচ দপ্তরটি থেকে নিয়মিত বিভিন্ন কার্যক্রমসংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশ করা হয়। কিন্তু তার কোনো প্রতিফলন ওয়েবসাইটে দেখা যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের এমন করুণ অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আবু কালাম  বলেন ‘প্রায় তথ্যহীন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। কোনো আপডেট তথ্য, ছবি কিংবা পেজ লিংক না থাকায় এটি অনেকটাই অকার্যকর। চলমান বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষার ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পাওয়ার কথা। কিন্তু তথ্য সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বিশ্বে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি বহন করে তার ওয়েবসাইট। অথচ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। দ্রুত এর উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’ এপ্লাইড কেমিস্ট্রি বিভাগের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম  বলেন, ‘অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেক্টর অনেক পিছিয়ে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট সম্পর্কে প্রায় ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই অবগত নয়। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সমৃদ্ধ হতে হয়, যেন ঘরে বসেই একজন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নিতে পারে। কিন্তু এ দিক থেকে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনেক পিছিয়ে। তাই আমরা সকল তথ্যসম্বলিত একটি আধুনিক ও পরিপূর্ণ ওয়েবসাইট চাই।’ এ বিষয়ে আইসিটি সেলের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। তার ভিতর দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রশাসন যে কোন তথ্য দিলে আমরা সাথে সাথে আপলোড করার চেষ্টা করি।শিক্ষকদের কাছেও আমরা তথ্য চেয়েছি।আর আমাদের ওয়েবসাইট এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।  একটি কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হলে কাজ সম্পন্ন করেননি।আমরা আবার নতুন করে করার জন্য চেষ্টা করছি।’  এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow