‘গ্যাস টিমটিম করে আসে, রান্না শেষ হওয়ার আগেই চলে যায়’

নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে শহরের বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নারায়ণগঞ্জবাসী। বিশেষ করে রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, চাকরিজীবী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। গ্যাস না থাকায় অনেকেই স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন। আবার কেউবা আত্মীয়-স্বজনের বাসা থেকে খাবার এনে দিন পার করছেন। শহরের বাবুরাইল এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ শাহানাজ বেগম জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে রান্না করতে উঠে দেখি গ্যাস নেই। যে কারণে সকালে কেউই বাসা থেকে নাশতা করতে যেতে পারেনি। পরে বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড এই গরমে কাঠের চুলা ব্যবহার করে অনেক কষ্টে দুপুরের রান্না সারতে হয়েছে।’ আরও পড়ুন গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট / কারখানায় উৎপাদনে ধাক্কা, ছাঁটাই আতঙ্কে শ্রমিকরা   গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা মিতু আক্তার বলেন, ‘আমাদের এখানে অনেক দিন ধরেই গ্যাসের সমস্যা। সকালে একেবারেই থাকে না। মাঝে মাঝে একটু টিমটিম করে আসে, তাও রান্না শেষ হওয়ার আগেই চলে যায়। আজ সকাল থেকে একফোঁটা গ্যাসও

‘গ্যাস টিমটিম করে আসে, রান্না শেষ হওয়ার আগেই চলে যায়’

নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে শহরের বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নারায়ণগঞ্জবাসী।

বিশেষ করে রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, চাকরিজীবী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। গ্যাস না থাকায় অনেকেই স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন। আবার কেউবা আত্মীয়-স্বজনের বাসা থেকে খাবার এনে দিন পার করছেন।

শহরের বাবুরাইল এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ শাহানাজ বেগম জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে রান্না করতে উঠে দেখি গ্যাস নেই। যে কারণে সকালে কেউই বাসা থেকে নাশতা করতে যেতে পারেনি। পরে বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড এই গরমে কাঠের চুলা ব্যবহার করে অনেক কষ্টে দুপুরের রান্না সারতে হয়েছে।’

 

গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা মিতু আক্তার বলেন, ‘আমাদের এখানে অনেক দিন ধরেই গ্যাসের সমস্যা। সকালে একেবারেই থাকে না। মাঝে মাঝে একটু টিমটিম করে আসে, তাও রান্না শেষ হওয়ার আগেই চলে যায়। আজ সকাল থেকে একফোঁটা গ্যাসও নেই। পরে ছোট বোন তার বাসা থেকে খাবার দিয়ে গেছে। নয়তো বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হতো।’

এ বিষয়ে চাষাঢ়া বালুরমাঠে তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক বিপণন বিভাগ-নারায়ণগঞ্জের উপমহাব্যবস্থাপক মনজুর আজিজ মোহন বলেন, ‘আমাদের এলএনজি সরবরাহের প্রধান উৎস এফএসআরইউয়ের (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড গ্যাসিফিকেশন ইউনিট) দুটি ইউনিটের মধ্যে একটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেটি মেরামত শেষে নতুন করে সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ কারণে গত কয়েক দিন ধরে গ্যাস সরবরাহে স্বল্পতা তৈরি হয়েছে। আমাদের ধারণা, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে পারে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ ডিপার্টমেন্টে আমাদের প্রায় ৮১ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। এর মধ্যে যারা ডাউনস্ট্রিম এলাকায় অবস্থান করছেন, তারাই মূলত এই গ্যাস স্বল্পতায় বেশি ভুগছেন। তবে আপস্ট্রিমে থাকা গ্রাহকরা কিছুটা হলেও সরবরাহ পাচ্ছেন। আমরা দ্রুত এই সংকট নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow