গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ শিক্ষার্থী ৪ দিন পর ঢামেকে মারা গেছেন

রাজধানীর বংশালে গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ দ্বীন ইসলাম সিয়াম (২০) নামের এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ১২ জুলাই রাতে নিজ বাসার বাথরুমে সিগারেট ধরানোর জন্য লাইটার জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অগ্নিদগ্ধ হন সিয়াম। বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন জানান, সিয়ামের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়ার শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। সিয়াম মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে বংশালে নাজিমুদ্দিন রোডের একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিনি একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন এবং চকবাজারের একটি পলিথিনের দোকানে চাকরিও করতেন। কাজী আল-আমিন/এমকেআর

গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ শিক্ষার্থী ৪ দিন পর ঢামেকে মারা গেছেন

রাজধানীর বংশালে গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ দ্বীন ইসলাম সিয়াম (২০) নামের এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গত ১২ জুলাই রাতে নিজ বাসার বাথরুমে সিগারেট ধরানোর জন্য লাইটার জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অগ্নিদগ্ধ হন সিয়াম।

বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন জানান, সিয়ামের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়ার শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

সিয়াম মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে বংশালে নাজিমুদ্দিন রোডের একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিনি একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন এবং চকবাজারের একটি পলিথিনের দোকানে চাকরিও করতেন।

কাজী আল-আমিন/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow