গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

ঢাকার ধামরাইয়ে রান্নাঘরের চুলায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ সুমনা বাদশা নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়। এর আগে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাণনগর এলাকায় নিজ বাসার রান্নাঘরে গ্যাসের বিস্ফোরণে সুমনা বাদশা (৪৫) দগ্ধ হন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৬) এবং দুই ছেলে আবু বকর সিদ্দিক (১৬) ও আরাফাত (২২) দগ্ধ হন। পরে আহত চারজনকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। বুধবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সুমনার দেবর মো. আরিফ বলেন, বুধবার ইফতারের প্রায় ১০ মিনিট আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনার মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রান্নাঘরে গ্যাস জমে থাকায় চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা বেগম। এর মধ্যে সুমনা প্রায় শতভাগ দগ্ধ হয়েছেন এবং তার স্বামী গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহত দুজনকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

ঢাকার ধামরাইয়ে রান্নাঘরের চুলায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ সুমনা বাদশা নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাণনগর এলাকায় নিজ বাসার রান্নাঘরে গ্যাসের বিস্ফোরণে সুমনা বাদশা (৪৫) দগ্ধ হন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার স্বামী বাদশা মিয়া (৫৬) এবং দুই ছেলে আবু বকর সিদ্দিক (১৬) ও আরাফাত (২২) দগ্ধ হন। পরে আহত চারজনকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। বুধবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত সুমনার দেবর মো. আরিফ বলেন, বুধবার ইফতারের প্রায় ১০ মিনিট আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রান্নাঘরে গ্যাস জমে থাকায় চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা বেগম। এর মধ্যে সুমনা প্রায় শতভাগ দগ্ধ হয়েছেন এবং তার স্বামী গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহত দুজনকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, আগুনে সুমনা বাদশার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া বাদশা মিয়ার ২ দশমিক ৫ শতাংশ, আবু বকর সিদ্দিকের ২ শতাংশ এবং আরাফাতের শরীর ১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow