গ্যাস সংকটে বেড়েছে পুরোনো রাইস কুকার-কারি কুকার মেরামত
রাজশাহীতে গ্যাস সংকট ও দাম বৃদ্ধির প্রভাবে হঠাৎই বেড়েছে পুরোনো রাইসকুকার, কারি কুকার ও প্রেশারকুকার মেরামতের ব্যস্ততা। মহানগরীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত বা নষ্ট হয়ে থাকা রাইস কুকার ও কারি কুকার ঠিক করাতে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন গ্যাসের বিকল্প হিসেবে বিদ্যুৎচালিত এসব যন্ত্র ব্যবহার উপযোগী করে তুলছেন। বুধবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী নগরীর আরডি মার্কেট ও জিরো পয়েন্ট এলাকার একাধিক ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামতের দোকানে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নষ্ট রাইসকুকার, কারি কুকার প্রেশারকুকার ঠিক করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। দোকানগুলোর সামনে অপেক্ষমাণ মানুষের সারিও চোখে পড়েছে। রাইসকুকার ও কারি কুকার ঠিক করতে আসা নগরীর বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, আমার বাসায় রাইসকুকার ও কারি কুকার অনেকদিন ধরেই নষ্ট ছিল। আগে ঠিক করার প্রয়োজন মনে করিনি। কিন্তু এখন গ্যাস সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে এগুলো দিয়েই রান্নাবান্না করছি। তাই রাইসকুকার ও কারি কুকারের পাশাপাশি প্রেশার কুকারটাও নিয়ে এসেছি, যেন গ্যাসের ওপর নির্ভর না করতে হয়। এখন গ্যাস পাওয়া গেলেও যে দাম চ
রাজশাহীতে গ্যাস সংকট ও দাম বৃদ্ধির প্রভাবে হঠাৎই বেড়েছে পুরোনো রাইসকুকার, কারি কুকার ও প্রেশারকুকার মেরামতের ব্যস্ততা। মহানগরীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত বা নষ্ট হয়ে থাকা রাইস কুকার ও কারি কুকার ঠিক করাতে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন গ্যাসের বিকল্প হিসেবে বিদ্যুৎচালিত এসব যন্ত্র ব্যবহার উপযোগী করে তুলছেন।
বুধবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী নগরীর আরডি মার্কেট ও জিরো পয়েন্ট এলাকার একাধিক ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামতের দোকানে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নষ্ট রাইসকুকার, কারি কুকার প্রেশারকুকার ঠিক করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। দোকানগুলোর সামনে অপেক্ষমাণ মানুষের সারিও চোখে পড়েছে।
রাইসকুকার ও কারি কুকার ঠিক করতে আসা নগরীর বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, আমার বাসায় রাইসকুকার ও কারি কুকার অনেকদিন ধরেই নষ্ট ছিল। আগে ঠিক করার প্রয়োজন মনে করিনি। কিন্তু এখন গ্যাস সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে এগুলো দিয়েই রান্নাবান্না করছি। তাই রাইসকুকার ও কারি কুকারের পাশাপাশি প্রেশার কুকারটাও নিয়ে এসেছি, যেন গ্যাসের ওপর নির্ভর না করতে হয়। এখন গ্যাস পাওয়া গেলেও যে দাম চাওয়া হচ্ছে, তা আমাদের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
একই চিত্র দেখা গেছে জিরো পয়েন্ট এলাকায়ও। সেখানে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে রাইসকুকার ও কারি কুকার মেরামত করাচ্ছিলেন ফাতেমা আক্তার। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ার পর রান্নাবান্না করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে পুরোনো রাইসকুকার ও কারি কুকার চেক করতে এনেছি। বিদ্যুতের মাধ্যমে অন্তত দৈনন্দিন রান্নার কাজগুলো করা যাবে।
কারিগর ও দোকানদারদের ভাষ্যেও উঠে এসেছে ব্যস্ততার চিত্র। রাইসকুকার ও কারি কুকার মেরামতকারী মাহবুব বলেন, কিছুদিন ধরে মানুষ অনেক পুরোনো রাইসকুকার ও কারি কুকার আর প্রেশারকুকার নিয়ে আসছে। এখন প্রতিদিনই খুব ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। আগে একটু দেরিতে দোকান খুলতাম, আবার আগেই বন্ধ করে চলে যেতাম। এখন আর সেই সুযোগ নেই। মানুষ অপেক্ষা করে হলেও মেরামত করিয়ে নিচ্ছে। গ্যাসের দাম বাড়ায় বাড়িতে নষ্ট পড়ে থাকা রাইসকুকার ও কারি কুকার ঠিক করাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ছোটোখাটো মেরামতের পাশাপাশি হিটিং কয়েল, থার্মোস্ট্যাট ও তার পরিবর্তনের কাজও বেড়েছে। অনেকেই একাধিক রাইসকুকার ও কারি কুকার একসঙ্গে নিয়ে আসছেন।
সাখাওয়াত হোসেন/এমএন/এমএস
What's Your Reaction?