গ্যাস সংকটে সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি স্টেশনও বন্ধ

পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন যাত্রী, চালক ও পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহরের শিয়ালকোল এলাকার এ্যালবাট্রস এনার্জি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষায় থাকা চালক ও ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, বুধবার থেকে তারা গ্যাস সংকটে ভুগছেন। বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ নেই। এ কারণে পাম্প বন্ধ রয়েছে। এটি ছাড়াও জেলার শাহজাদপুরে থাকা আরও একটি পাম্প একই সমস্যায় বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। আরও পড়ুন হবিগঞ্জে ১৭১ শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ শহরের এ্যালবাট্রস সিএনজি স্টেশনে থেকে নিয়মিত গ্যাস নেন রাশিদুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে জানান, বুধবার দুপুরে গ্যাস না পেয়ে ফেরত গেছেন। আজ গিয়েও তিনি গ্যাস পাননি। এ কারণে বাড়িতেই বসে আছেন। রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল থেকেই এই অবস্থা। গ্যাস ঠিকমতো পেলে ৮০০-১০০০ টাকা আয় হয়। কিন্তু দুদিন ধরে আর গ্যাস পাচ্ছি না।’ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘দুদিন ধরে বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ একেবারেই কম। চাপ না থাকায় মেশিন চালা

গ্যাস সংকটে সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি স্টেশনও বন্ধ

পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন যাত্রী, চালক ও পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহরের শিয়ালকোল এলাকার এ্যালবাট্রস এনার্জি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষায় থাকা চালক ও ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, বুধবার থেকে তারা গ্যাস সংকটে ভুগছেন। বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ নেই। এ কারণে পাম্প বন্ধ রয়েছে।

এটি ছাড়াও জেলার শাহজাদপুরে থাকা আরও একটি পাম্প একই সমস্যায় বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

শহরের এ্যালবাট্রস সিএনজি স্টেশনে থেকে নিয়মিত গ্যাস নেন রাশিদুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে জানান, বুধবার দুপুরে গ্যাস না পেয়ে ফেরত গেছেন। আজ গিয়েও তিনি গ্যাস পাননি। এ কারণে বাড়িতেই বসে আছেন।

গ্যাস সংকটে সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি স্টেশনও বন্ধ

রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল থেকেই এই অবস্থা। গ্যাস ঠিকমতো পেলে ৮০০-১০০০ টাকা আয় হয়। কিন্তু দুদিন ধরে আর গ্যাস পাচ্ছি না।’

ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘দুদিন ধরে বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ একেবারেই কম। চাপ না থাকায় মেশিন চালানো যাচ্ছে না। বুধবার সকালে গ্যাসের চাপ কিছুটা থাকলেও বেলা ১১টার দিকে একদম কমে যায়। পরে পাম্প বন্ধ ঘোষণা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘লাইনে অন্তত ১৫ পিএসআই গ্যাসের চাপ থাকা লাগে। এখন ১ পিএসআইও নেই। এ বিষয়ে সরকারের বা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো নোটিশও আমরা পাইনি।’

গ্যাস সংকটে সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি স্টেশনও বন্ধ

ফিলিং স্টেশনের আরেক কর্মকর্তা ইমরুল হাসান পাপ্পু জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রতিদিন ১২০০-১৫০০ গাড়ি গ্যাস নেয়। কিন্তু লাইনে গ্যাসের চাপ না থাকায় আমরা বাধ্য হয়ে পাম্প বন্ধ রেখেছি।’

এ বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এসএম তারিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটি শুধু সিরাজগঞ্জের সমস্যা না, জাতীয় পর্যায়ে সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। ফলে চাপ কমে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার এলএনজি আমদানি করেছে। কিন্তু সমুদ্রে প্রচুর ঢেউ থাকায় জাহাজ ভিড়তে পারছে না। এলএনজি রাতের মধ্যে খালাস হলেই শুক্রবার থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’

এম এ মালেক/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow