গ্যাসের চুলায় আগুন নেই, ক্ষোভে তিতাস কার্যালয় ঘেরাও

চুলায় আগুন নেই, অথচ প্রতি মাসেই গ্যাস বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এমন ভোগান্তিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ঢাকার সাভারের শতাধিক বাসিন্দা। নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে রোববার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পিএলসির সাভার আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগ কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে দাবি বাস্তবায়নে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল থেকে সাভার পৌরসভার ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জালেশ্বর এলাকায় তিতাসের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। এ সময় তারা গ্যাস সংকটের অবসান এবং বাসাবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকলেও গত দুই মাসে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। দিনের পর দিন চুলায় গ্যাস না থাকায় রান্নার জন্য বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা কিংবা কাঠের চুলার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অথচ নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। বিক্ষোভ শেষে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন

গ্যাসের চুলায় আগুন নেই, ক্ষোভে তিতাস কার্যালয় ঘেরাও

চুলায় আগুন নেই, অথচ প্রতি মাসেই গ্যাস বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এমন ভোগান্তিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ঢাকার সাভারের শতাধিক বাসিন্দা।

নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে রোববার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পিএলসির সাভার আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগ কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে দাবি বাস্তবায়নে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

রোববার (১৯ জুলাই) সকাল থেকে সাভার পৌরসভার ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জালেশ্বর এলাকায় তিতাসের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। এ সময় তারা গ্যাস সংকটের অবসান এবং বাসাবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকলেও গত দুই মাসে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। দিনের পর দিন চুলায় গ্যাস না থাকায় রান্নার জন্য বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা কিংবা কাঠের চুলার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অথচ নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না।

বিক্ষোভ শেষে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পিএলসির গাজীপুর অঞ্চলের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানে তিন দিনের সময় বেঁধে দিয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গ্রাহকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। কোন এলাকায় কোন সংযোগে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তা শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট লাইনে গ্যাসের চাপ বাড়ানোর মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

সমাধানের আশ্বাসে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow