গ্রিনল্যান্ড দখলের এআই নির্মিত ছবি শেয়ার করলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ইলাস্ট্রেটেড ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিটিতে তাকে গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা স্থাপন করতে দেখা যাচ্ছে। তার পাশে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবিটির সামনের অংশে একটি প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘গ্রিনল্যান্ড : মার্কিন অঞ্চল, প্রতিষ্ঠিত ২০২৬’। এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর পাশাপাশি ট্রাম্প আরও একটি ছবি শেয়ার করেছেন। এটি ২০২৫ সালের আগস্টে তোলা একটি ছবির সম্পাদিত সংস্করণ। ওই সময় ইউরোপের কয়েকজন নেতা ওয়াশিংটনে সফরে গিয়েছিলেন। সফরের মূল কারণ ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ নিয়ে আলোচনা। ট্রাম্পের এই পোস্টগুলো ঘিরে আন্তর্জাতিক পরিসরে নানা ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ও ইউরোপ ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থান এবং বক্তব্য ভবিষ্যতে কূটনৈতিক অঙ্গনে আরও বিতর্ক তৈরি করতে পারে। এদিকে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্

গ্রিনল্যান্ড দখলের এআই নির্মিত ছবি শেয়ার করলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ইলাস্ট্রেটেড ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিটিতে তাকে গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা স্থাপন করতে দেখা যাচ্ছে। তার পাশে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবিটির সামনের অংশে একটি প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘গ্রিনল্যান্ড : মার্কিন অঞ্চল, প্রতিষ্ঠিত ২০২৬’। এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর পাশাপাশি ট্রাম্প আরও একটি ছবি শেয়ার করেছেন। এটি ২০২৫ সালের আগস্টে তোলা একটি ছবির সম্পাদিত সংস্করণ। ওই সময় ইউরোপের কয়েকজন নেতা ওয়াশিংটনে সফরে গিয়েছিলেন। সফরের মূল কারণ ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ নিয়ে আলোচনা। ট্রাম্পের এই পোস্টগুলো ঘিরে আন্তর্জাতিক পরিসরে নানা ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ও ইউরোপ ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থান এবং বক্তব্য ভবিষ্যতে কূটনৈতিক অঙ্গনে আরও বিতর্ক তৈরি করতে পারে। এদিকে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ ঘোষণা দিয়েছে নর্থ আমেরিকান এয়ারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ প্রতিরক্ষা সংস্থা নোরাড মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নোরাডের বিমান শিগগিরই গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে।’ নোরাড বলছে, ‘এই মোতায়েন আগে থেকেই পরিকল্পিত বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।’ সংস্থাটি জোর দিয়ে জানিয়েছে, ‘ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মোতায়েন হচ্ছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই বিমানগুলো উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ‘ডিসপার্সড অপারেশনস’-এর অংশ হিসেবে কাজ করবে।’ পিটুফিক স্পেস বেস, যা আগে ‘থুলে এয়ার ফোর্স বেস’ নামে পরিচিত ছিল। এটি গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ কেন্দ্র পরিচালিত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow