গ্রিনল্যান্ডে দূতাবাস খুলবে ফ্রান্স

গ্রিনল্যান্ডে দূতাবাস খুলবে ফ্রান্স। বুধবার এক বিবৃতিতে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেছেন, ফ্রান্স আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রিনল্যান্ডে একটি দূতাবাস খুলবে। তিনি এই পদক্ষেপকে ডেনিশ ভূখণ্ডের ওপর একটি কৌশলগত ‘রাজনৈতিক সংকেত’ বলে অভিহিত করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার পর এমন পদক্ষেপের কথা জানালো ফ্রান্স। খবর এএফপির। প্রায় এক বছর আগে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলে আসছেন। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট ফরাসি আরটিএল সম্প্রচারককে বলেন, গত গ্রীষ্মে যখন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গ্রিনল্যান্ড সফরে এসেছিলেন, তখন সমর্থন প্রকাশের জন্য সেখানে দূতাবাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি আগস্টের শেষে সেখানে গিয়েছিলাম দূতাবাসের বিষয়ে পরিকল্পনা করার জন্য, যা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি খোলা হবে। এটি একটি রাজনৈতিক সংকেত যা বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রসহ গ্রিনল্যান্ডে আরও বেশি উপস্থিতির আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড মালিকানাধীন, শাসিত... অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একীভূত হতে চায় না।

গ্রিনল্যান্ডে দূতাবাস খুলবে ফ্রান্স

গ্রিনল্যান্ডে দূতাবাস খুলবে ফ্রান্স। বুধবার এক বিবৃতিতে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেছেন, ফ্রান্স আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রিনল্যান্ডে একটি দূতাবাস খুলবে। তিনি এই পদক্ষেপকে ডেনিশ ভূখণ্ডের ওপর একটি কৌশলগত ‘রাজনৈতিক সংকেত’ বলে অভিহিত করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার পর এমন পদক্ষেপের কথা জানালো ফ্রান্স। খবর এএফপির।

প্রায় এক বছর আগে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলে আসছেন। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট ফরাসি আরটিএল সম্প্রচারককে বলেন, গত গ্রীষ্মে যখন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গ্রিনল্যান্ড সফরে এসেছিলেন, তখন সমর্থন প্রকাশের জন্য সেখানে দূতাবাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমি আগস্টের শেষে সেখানে গিয়েছিলাম দূতাবাসের বিষয়ে পরিকল্পনা করার জন্য, যা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি খোলা হবে। এটি একটি রাজনৈতিক সংকেত যা বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রসহ গ্রিনল্যান্ডে আরও বেশি উপস্থিতির আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত।

তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড মালিকানাধীন, শাসিত... অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একীভূত হতে চায় না। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ক, ন্যাটো, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বেছে নিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের নেতারা বলেছেন যে, দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবেই থাকতে পছন্দ করবে। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া বা চীনের দখলের হুমকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডকে দখল করা প্রয়োজন।

টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow