গ্রিলের সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ, দরজা ভেঙে উদ্ধার

ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় সুমি বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত সুমি বেগম স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়ার স্ত্রী। তারা বোরহানউদ্দিন মহিলা কলেজের উত্তর পাশে অবস্থিত ‘মাহি ভিলা’ নামক একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত সুমির স্বামী উজ্জ্বল স্থানীয় হেলিপ্যাড সংলগ্ন শিল্প ও বাণিজ্য মেলার একজন ব্যবসায়ী। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও তিনি ব্যবসার কাজে বাইরে ছিলেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাসার মালিক আবুল বাশার মো. সহিদুল্লাহর স্ত্রী সুমি বেগমের কক্ষের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘ সময় সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি তিনি বাড়ির মালিককে জানান। পরে বাড়ির মালিক, সুমির স্বামী উজ্জ্বল ও স্থানীয় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। কক্ষে ঢুকে তারা দেখতে পান, ঘরের পূর্ব পাশের জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সুমি বেগমের মরদেহ ঝুলছে। পরে দ্রুত তাকে নিচে নামিয়ে মেঝেতে শোয়ানো

গ্রিলের সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ, দরজা ভেঙে উদ্ধার

ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় সুমি বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত সুমি বেগম স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়ার স্ত্রী। তারা বোরহানউদ্দিন মহিলা কলেজের উত্তর পাশে অবস্থিত ‘মাহি ভিলা’ নামক একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত সুমির স্বামী উজ্জ্বল স্থানীয় হেলিপ্যাড সংলগ্ন শিল্প ও বাণিজ্য মেলার একজন ব্যবসায়ী। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও তিনি ব্যবসার কাজে বাইরে ছিলেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাসার মালিক আবুল বাশার মো. সহিদুল্লাহর স্ত্রী সুমি বেগমের কক্ষের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘ সময় সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি তিনি বাড়ির মালিককে জানান। পরে বাড়ির মালিক, সুমির স্বামী উজ্জ্বল ও স্থানীয় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

কক্ষে ঢুকে তারা দেখতে পান, ঘরের পূর্ব পাশের জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সুমি বেগমের মরদেহ ঝুলছে। পরে দ্রুত তাকে নিচে নামিয়ে মেঝেতে শোয়ানো হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। পরিবারের লোকজনের অনুমান, দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে কোনো এক সময় সবার অগোচরে সুমি বেগম গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো জানা যায়নি।

খবর পেয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য মরদেহ শুক্রবার (২৯ মে) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow