গ্রেপ্তার এড়াতে ১৯ পিস ইয়াবা গিলে বেকায়দায় যুবক
মাদারীপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছ থেকে গ্রেপ্তার এড়াতে ১৯ পিস ইয়াবা গিলে খেয়েছেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার সোহাগ ফকির (৩৬) সদর উপজেলা পশ্চিম রাস্তি গ্রামের মৃত মোফাজ্জেল ফকিরের ছেলে।
জানা যায়, বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযানে সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকায় অভিযানে যায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। এসময় স্থানীয় একটি স-মিলের পাশ থেকে সোহাগকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে সোহাগ তার সঙ্গে থাকা একটি প্যাকেট ছিড়ে ১৯টি ইয়াবা গিলে খেয়ে ফেলে।
পরে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে আরেকটি প্যাকেটে থাকা ১৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসে নেওয়া হয়। এসময় সোহাগ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেলে।
মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে
মাদারীপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছ থেকে গ্রেপ্তার এড়াতে ১৯ পিস ইয়াবা গিলে খেয়েছেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার সোহাগ ফকির (৩৬) সদর উপজেলা পশ্চিম রাস্তি গ্রামের মৃত মোফাজ্জেল ফকিরের ছেলে।
জানা যায়, বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার অভিযানে সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকায় অভিযানে যায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। এসময় স্থানীয় একটি স-মিলের পাশ থেকে সোহাগকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে সোহাগ তার সঙ্গে থাকা একটি প্যাকেট ছিড়ে ১৯টি ইয়াবা গিলে খেয়ে ফেলে।
পরে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে আরেকটি প্যাকেটে থাকা ১৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসে নেওয়া হয়। এসময় সোহাগ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেলে।
মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করেছে চিকিৎসক। গ্রেপ্তার এড়াতেই মূলত তিনি ইয়াবা গিলে খেয়েছেন।