গ্রেপ্তার হাবিপ্রবির সেই ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

3 hours ago 5
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) চারজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর কবিরের স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।  গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জুলাই-আগস্টে ছাত্রদের ওপর হামলাকারী, হামলার উসকানিদাতা এবং পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের ব্যানারে নানা অপকর্ম করার অভিযোগে হাবিপ্রবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত চারজনকে অফিস থেকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয় শিক্ষার্থীরা। এরপর থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত তারা।  বরখাস্ত ৪ কর্মকর্তা হলেন- ইলিয়াস কাঞ্চন (সেকশন অফিসার), শাহ আলম (প্রশাসনিক কর্মকর্তা), শাহ আসাদুল্লাহ সালেহীন সৌরভ (ফিল্ড এক্সটেনশন অফিসার, কৃষি), মো. রাব্বী শেখ (ফিল্ড এক্সটেনশন অফিসার, ফিশারিজ)। দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মতিউর রহমান গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কালবেলাকে বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ কর্মকর্তাকে আটক করে আমাদেরকে জানান। আমরা তাদের থানায় নিয়ে আসি। তাদের প্রত্যেকের নামে থানায় আগের মামলা আছে। জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় যুক্ত থাকায় নতুন করে আরও একটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে। মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর কবির বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কালবেলাকে বলেন, মামলার কাগজ ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পৌঁছেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে ফৌজদারি মামলা হয়েছে। মামলার কাগজ আমরা হাতে পেয়েছি সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  এসময় তিনি যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাদের বিষয়েও তদন্ত হবে বলে জানান। তিনি বলেন, সর্বশেষ যে ১৬ জনের নিয়োগ হয়েছে তাদের বিষয়গুলোও তদন্ত এবং রিভিউ করার জন্য আজকের (বৃহস্পতিবার) রিজেন্ট বোর্ডের সভায় একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম ঠিক করা হবে।
Read Entire Article