গ্রেফতার এড়াতে ইয়াবা সেবন, হাসপাতালে যুবকের মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় অসুস্থ হয়ে দিদারুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ বলছে, গ্রেফতার এড়াতে তিনি নিজের কাছে থাকা ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার দিকে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক যন্ত্রণায় মাটিতে গড়াগড়ি করছেন। তিনি মাটিতে এপাশ-ওপাশ করছেন এবং অসংলগ্নভাবে কথা বলছেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’ পরে জানা যায়, ভিডিওতে দেখা যাওয়া ওই যুবকের নাম দিদারুল আলম। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগর পুলিশের চলমান ‘এস ড্রাইভ’ বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ও খুনের মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে পুলিশ। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি নিজের কাছে থাকা ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন বলে পুলিশের দাবি। পরে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে প্রথমে নগরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থ

গ্রেফতার এড়াতে ইয়াবা সেবন, হাসপাতালে যুবকের মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় অসুস্থ হয়ে দিদারুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ বলছে, গ্রেফতার এড়াতে তিনি নিজের কাছে থাকা ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার দিকে।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক যন্ত্রণায় মাটিতে গড়াগড়ি করছেন। তিনি মাটিতে এপাশ-ওপাশ করছেন এবং অসংলগ্নভাবে কথা বলছেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’ পরে জানা যায়, ভিডিওতে দেখা যাওয়া ওই যুবকের নাম দিদারুল আলম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগর পুলিশের চলমান ‘এস ড্রাইভ’ বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ও খুনের মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে পুলিশ। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি নিজের কাছে থাকা ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন বলে পুলিশের দাবি।

পরে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে প্রথমে নগরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ বলেন, অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণেই দিদারুল আলমের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার বিরুদ্ধে খুন ও মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।

এমআরএএইচ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow