গ্রেফতার হওয়া নায়িকা ববির কথিত স্বামী কে এই প্রতারক আবুল বাশার?

চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির কথিত স্বামী হিসেবে আলোচনায় থাকা মির্জা আবুল বাশার ওরফে মামুনকে ঘিরে নতুন করে উঠে এসেছে প্রতারণা ও বিতর্কের নানা অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরেই প্রতারণার অভিযোগে আলোচনায় থাকা বাশারকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে - তিনি আসলে কে, এবং কীভাবে এতদিন ধরে বিভিন্ন পরিচয়ে সক্রিয় ছিলেন। পটুয়াখালীর ইসলামাবাদের পশ্চিম আউলিয়াপুরের ফখরুল ইসলামের বড় ছেলে আবুল বাশার ওরফে মামুন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, মির্জা আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বিভিন্ন ব্যবসায়িক পরিচয়ে পরিচিত করে একাধিক প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কথিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘বিটিএল গ্রুপ’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, চাকরি, জমি, চাল ও তেলের ডিলারশিপ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় সাধারণ মানুষকে প্রলোভিত করতেন। পরে টাকা নিয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে যেতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তার প্রতারণার ফাঁদে সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও পড়েছেন। অনেকেই শেষ সম্

গ্রেফতার হওয়া নায়িকা ববির কথিত স্বামী কে এই প্রতারক আবুল বাশার?

চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির কথিত স্বামী হিসেবে আলোচনায় থাকা মির্জা আবুল বাশার ওরফে মামুনকে ঘিরে নতুন করে উঠে এসেছে প্রতারণা ও বিতর্কের নানা অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরেই প্রতারণার অভিযোগে আলোচনায় থাকা বাশারকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে - তিনি আসলে কে, এবং কীভাবে এতদিন ধরে বিভিন্ন পরিচয়ে সক্রিয় ছিলেন।

পটুয়াখালীর ইসলামাবাদের পশ্চিম আউলিয়াপুরের ফখরুল ইসলামের বড় ছেলে আবুল বাশার ওরফে মামুন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, মির্জা আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বিভিন্ন ব্যবসায়িক পরিচয়ে পরিচিত করে একাধিক প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি কথিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘বিটিএল গ্রুপ’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, চাকরি, জমি, চাল ও তেলের ডিলারশিপ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময় সাধারণ মানুষকে প্রলোভিত করতেন। পরে টাকা নিয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে যেতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, তার প্রতারণার ফাঁদে সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও পড়েছেন। অনেকেই শেষ সম্বল বিক্রি করে ভবিষ্যতের আশায় তার হাতে টাকা তুলে দিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

সূত্র আরও জানায়, রাজধানীর বাড্ডা, খিলক্ষেত, বনানী, ভাটারাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে।

এছাড়া তিনি বিটিএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত হলেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধেও অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত কোরবানির ঈদের আগে একটি এগ্রো খামার থেকে ৮টি গরু নিয়ে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক দিলেও তা পরবর্তীতে বাউন্স করে।

 

এমআই/এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow