ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া, সামনে সুইজারল্যান্ড

ম্যাচের ১৪তম মিনিটে পাওয়া গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দিল জয়ের ভিত। এরপর একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি কলম্বিয়া। তবে গোটা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এই জয়ে প্রত্যাশিতভাবেই শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে কলম্বিয়া, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে কলম্বিয়া। তবে প্রথম কোয়ার্টারেই চোটের কারণে ধাক্কা খেতে হয় দুই দলকেই। কলম্বিয়ার স্ট্রাইকার জন কর্ডোবা এবং ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লে শুরুতেই পরিকল্পনা বদলাতে বাধ্য হন দুই কোচ। ম্যাচের ১৪ মিনিটের মাথায় আসে কাঙ্ক্ষিত সেই গোল। লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে লুইস দিয়াজ বল বাড়িয়ে দেন বক্সের ভেতরে থাকা জন আরিয়াসের দিকে। দারুণ প্রথম স্পর্শে নেওয়া নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে বায়ার্ন মিউনিখের এই উইঙ্গার কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।  গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে কলম্বিয়া। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও তৈরি হয়েছিল, তবে ইয়োহান মোজিকার জোরালো হেড অসাধারণ দক্ষতায় গোললাই

ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া, সামনে সুইজারল্যান্ড
ম্যাচের ১৪তম মিনিটে পাওয়া গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দিল জয়ের ভিত। এরপর একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি কলম্বিয়া। তবে গোটা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এই জয়ে প্রত্যাশিতভাবেই শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে কলম্বিয়া, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে কলম্বিয়া। তবে প্রথম কোয়ার্টারেই চোটের কারণে ধাক্কা খেতে হয় দুই দলকেই। কলম্বিয়ার স্ট্রাইকার জন কর্ডোবা এবং ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লে শুরুতেই পরিকল্পনা বদলাতে বাধ্য হন দুই কোচ। ম্যাচের ১৪ মিনিটের মাথায় আসে কাঙ্ক্ষিত সেই গোল। লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে লুইস দিয়াজ বল বাড়িয়ে দেন বক্সের ভেতরে থাকা জন আরিয়াসের দিকে। দারুণ প্রথম স্পর্শে নেওয়া নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে বায়ার্ন মিউনিখের এই উইঙ্গার কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।  গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে কলম্বিয়া। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও তৈরি হয়েছিল, তবে ইয়োহান মোজিকার জোরালো হেড অসাধারণ দক্ষতায় গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন ঘানার গোলরক্ষক আতি জিগি। বিরতির পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্ল্যাক স্টার্সরা। তবে পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করা কলম্বিয়ার সুসংগঠিত রক্ষণভাগের সামনে বারবার ব্যর্থ হয় তাদের আক্রমণ। ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে লুইস দিয়াজ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি ক্লেমেন্ট টার্পিন। ম্যাচের শেষভাগে বদলি হিসেবে নামা ফাতাওু ও উইলিয়ামস ঘানাকে সমতায় ফেরানোর চেষ্টা চালালেও কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ভার্গাসকে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি। উল্টো যোগ করা সময়ে কলম্বিয়ার রিওসের নিচু শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন আতি জিগি। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে বড় স্বপ্ন বুকে নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow