ঘুরতে গেলে গাড়িতে এই ৫ গ্যাজেট রাখা জরুরি

  বন্ধু, পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষদের সঙ্গে রোড ট্রিপের আনন্দই আলাদা। নিজের সময়মতো যাত্রা, মাঝপথে ইচ্ছামতো বিরতি আর নতুন নতুন জায়গা ঘুরে দেখার আনন্দ অন্য কোনো ট্যুরের সঙ্গে মিলানো যাবে না। তবে দীর্ঘ সফরকে আরামদায়ক ও ঝামেলামুক্ত রাখতে কিছু প্রয়োজনীয় গ্যাজেট সঙ্গে রাখা জরুরি। রওনা দেওয়ার আগে ব্যাগে অবশ্যই রাখুন এই পাঁচটি স্মার্ট ডিভাইস। ১. পোর্টেবল টায়ার ইনফ্লেটর দূরপাল্লার যাত্রায় টায়ারের সমস্যা যে কোনো সময় দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে হাইওয়ে বা নির্জন রাস্তায় টায়ারের চাপ কমে গেলে বিপাকে পড়তে হয়। তাই একটি পোর্টেবল টায়ার ইনফ্লেটর সঙ্গে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক অনেক ইনফ্লেটরে ডিজিটাল প্রেসার ডিসপ্লে, অটো স্টপ ফিচার, ইউএসবি চার্জিং এবং জরুরি ফ্ল্যাশলাইটও থাকে। এতে দ্রুত টায়ারে বাতাস ভরে আবার যাত্রা শুরু করা যায়। বাজারে এগুলোর দাম সাধারণত ১৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। ২. ড্যাশ ক্যামেরা রোড ট্রিপে নিরাপত্তার জন্য ড্যাশ ক্যামেরা এখন প্রায় অপরিহার্য একটি গ্যাজেট। চলন্ত অবস্থায় রাস্তার প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড করতে পারে এটি। দুর্ঘটনা, হঠাৎ কোনো ঝামেলা কিংবা পার্কিং অবস্থার নজরদারির ক

ঘুরতে গেলে গাড়িতে এই ৫ গ্যাজেট রাখা জরুরি

 

বন্ধু, পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষদের সঙ্গে রোড ট্রিপের আনন্দই আলাদা। নিজের সময়মতো যাত্রা, মাঝপথে ইচ্ছামতো বিরতি আর নতুন নতুন জায়গা ঘুরে দেখার আনন্দ অন্য কোনো ট্যুরের সঙ্গে মিলানো যাবে না। তবে দীর্ঘ সফরকে আরামদায়ক ও ঝামেলামুক্ত রাখতে কিছু প্রয়োজনীয় গ্যাজেট সঙ্গে রাখা জরুরি। রওনা দেওয়ার আগে ব্যাগে অবশ্যই রাখুন এই পাঁচটি স্মার্ট ডিভাইস।

১. পোর্টেবল টায়ার ইনফ্লেটর

দূরপাল্লার যাত্রায় টায়ারের সমস্যা যে কোনো সময় দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে হাইওয়ে বা নির্জন রাস্তায় টায়ারের চাপ কমে গেলে বিপাকে পড়তে হয়। তাই একটি পোর্টেবল টায়ার ইনফ্লেটর সঙ্গে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক অনেক ইনফ্লেটরে ডিজিটাল প্রেসার ডিসপ্লে, অটো স্টপ ফিচার, ইউএসবি চার্জিং এবং জরুরি ফ্ল্যাশলাইটও থাকে। এতে দ্রুত টায়ারে বাতাস ভরে আবার যাত্রা শুরু করা যায়। বাজারে এগুলোর দাম সাধারণত ১৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

২. ড্যাশ ক্যামেরা

রোড ট্রিপে নিরাপত্তার জন্য ড্যাশ ক্যামেরা এখন প্রায় অপরিহার্য একটি গ্যাজেট। চলন্ত অবস্থায় রাস্তার প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড করতে পারে এটি। দুর্ঘটনা, হঠাৎ কোনো ঝামেলা কিংবা পার্কিং অবস্থার নজরদারির ক্ষেত্রে ড্যাশক্যাম খুব কার্যকর। অনেক ডিভাইসে নাইট ভিশন, লুপ রেকর্ডিং ও মোশন ডিটেকশনের মতো সুবিধাও থাকে। সাধারণত ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই ভালো মানের ড্যাশ ক্যামেরা পাওয়া যায়।

৩. ফাস্ট চার্জিং পাওয়ার ব্যাংক

দীর্ঘ ভ্রমণে ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ম্যাপ ব্যবহার, গান শোনা, ছবি তোলা বা ভিডিও করার কারণে ব্যাটারি দ্রুত কমে যায়। তাই উচ্চ ক্ষমতার একটি ফাস্ট চার্জিং পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখা উচিত। একাধিক ইউএসবি পোর্ট ও টাইপ-সি সাপোর্ট থাকলে একসঙ্গে কয়েকটি ডিভাইস চার্জ করা যায়। ভালো মানের পাওয়ার ব্যাংকের দাম সাধারণত দেড় হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে।

৪. কার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার

ভ্রমণের সময় গাড়ির ভেতরে খাবার খাওয়া, ধুলোবালি জমা কিংবা ছোটখাটো ময়লা হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এতে গাড়ির ভেতরের পরিবেশ দ্রুত অগোছালো হয়ে যায়। একটি পোর্টেবল কার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার থাকলে খুব সহজেই ধুলো, খাবারের কণা ও ময়লা পরিষ্কার করা যায়। ছোট আকারের হলেও এগুলোর সাকশন ক্ষমতা বেশ ভালো হয় এবং গাড়ি সবসময় পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

৫. ওয়্যারলেস চার্জিংসহ স্মার্ট কার ফোন হোল্ডার

বর্তমানে বেশিরভাগ চালকই নেভিগেশনের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। তাই ড্রাইভিংয়ের সময় ফোন নিরাপদভাবে রাখার জন্য একটি স্মার্ট কার ফোন হোল্ডার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা থাকলে আলাদা চার্জিং কেবল ব্যবহার করার ঝামেলাও থাকে না। এতে ফোন সহজে চোখের সামনে থাকে এবং ড্রাইভিংও নিরাপদ হয়।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow