ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড গাইবান্ধা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি। রোববার (১৫ মার্চ) রাতে উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে এ ঝড় আঘাত হানে। এতে ঘরবাড়ি ছাড়াও বিপুল সংখ্যক গাছপালা ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে কাঁচা ও টিনশেড ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ে এবং অনেক ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের তাণ্ডবে রাজাহার ইউনিয়নের বানেশ্বর বাজারের আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্তসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়। এছাড়াও অনেক গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দার আলী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা কালবেলাকে বলেন, আমরা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি। রোববার (১৫ মার্চ) রাতে উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে এ ঝড় আঘাত হানে।
এতে ঘরবাড়ি ছাড়াও বিপুল সংখ্যক গাছপালা ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে কাঁচা ও টিনশেড ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ে এবং অনেক ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের তাণ্ডবে রাজাহার ইউনিয়নের বানেশ্বর বাজারের আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্তসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়। এছাড়াও অনেক গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দার আলী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা কালবেলাকে বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ১৫০টি পরিবারকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। রমজান মাস হওয়ায় পরিবারগুলোর জন্য খিচুড়ি ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে।
What's Your Reaction?