চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে আসছে ৬০ সড়ক প্রকল্প : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে শিগ্‌গিরই আরও ৬০টি সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এর মধ্যে ৪২টি সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে কার্যাদেশের অপেক্ষায় রয়েছে, আর ১৮টির টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান। এসব প্রকল্প শেষ হলে নগরে ‘দৃশ্যমান পরিবর্তন’ আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) নগরীর ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড ও ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে পৃথক সড়ক উন্নয়ন ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শুলকবহর ওয়ার্ডের টেকনিক্যাল মোড়ে ২৬ দশমিক ৪০ মিটার দীর্ঘ একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এলাকাটিতে অতীতে একাধিক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মেয়র। এ ছাড়া টেকনিক্যাল মোড় থেকে মোজাফফর নগর আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ৬ হাজার ৯২০ ফুট সড়ক উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুলকবহর ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে প্রায় ৩৫

চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে আসছে ৬০ সড়ক প্রকল্প : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে শিগ্‌গিরই আরও ৬০টি সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এর মধ্যে ৪২টি সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে কার্যাদেশের অপেক্ষায় রয়েছে, আর ১৮টির টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান। এসব প্রকল্প শেষ হলে নগরে ‘দৃশ্যমান পরিবর্তন’ আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) নগরীর ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড ও ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে পৃথক সড়ক উন্নয়ন ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শুলকবহর ওয়ার্ডের টেকনিক্যাল মোড়ে ২৬ দশমিক ৪০ মিটার দীর্ঘ একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এলাকাটিতে অতীতে একাধিক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মেয়র। এ ছাড়া টেকনিক্যাল মোড় থেকে মোজাফফর নগর আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ৬ হাজার ৯২০ ফুট সড়ক উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুলকবহর ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উপ-প্রকল্পের কাজ চলছে। আরও ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি উপপ্রকল্প প্রাক্কলন পর্যায়ে রয়েছে। সমাপ্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- রহমান নগর রোড, কসমোপলিটন রোড ও বাইলেন, আরাকান হাউজিং সোসাইটি রোড, সিডিএ অ্যাভিনিউয়ের বহরদার মসজিদ থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত কার্পেটিং, তোফাজ্জল চৌধুরী বাড়ি সড়ক, ফরেস্ট গেটসংলগ্ন পিলখানা রোড, হুরবাগ আবাসিক এলাকা, গ্রীনভিউ হাউজিং সোসাইটি, নাছিরাবাদ গার্লস স্কুলসংলগ্ন সড়ক, আজিজ উল্লাহ হাউজিং সোসাইটি, মোহাম্মদ জামান রোড বাইলেন, আল ফালাহ হাউজিং সোসাইটি মসজিদ রোড, আবদুল জলিল প্রাইমারি স্কুল রোড, ওয়াফদা রোড, আল মাদানি বাইলেন, হাবিব লেন, মোজাফফর নগর আবাসিক এলাকা, আবদুল হান্নান রোড, প্রত্যাশা আবাসিক এলাকা, আরাকান হাউসিং সোসাইটিতে আরসিসি রেলিং, বাটা গলিসংলগ্ন ড্রেন ও ফুটপাত, রুবি গেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোড এবং সুগন্ধা আবাসিক এলাকার আংশিক উন্নয়নকাজ। অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১৬ মাসে তিনি চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও স্মার্ট নগর হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। বড় বড় সড়কের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। ৬০টি সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরের চেহারায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। সতর্ক করে মেয়র বলেন, অবৈধভাবে সড়ক ও ফুটপাত দখল বরদাস্ত করা হবে না। ইভেনিং মার্কেটসহ বিকল্প ব্যবস্থায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুযোগ দেওয়া হলেও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা যাবে না। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান তিনি। মোহাম্মদপুর এলাকায় সংকীর্ণ অংশ ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন মেয়র। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। তিনি বলেন, উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজদের কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ড ঘটলে তা আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে। এ সময় চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আর ইউ চৌধুরী শাহিন, সদস্য ফয়েজ আহমেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া ও বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow