চট্টগ্রাম ফরেন পোস্ট অফিসে অবৈধ ‘পাকিস্তানি গৌড়ি’ ক্রিম জব্দ

চট্টগ্রামের ফরেন পোস্ট অফিসে বিপুল সংখ্যক অবৈধ পাকিস্তানি ‘গৌড়ি’ ব্র্যান্ডের ফর্সা করার ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এসব প্রসাধনী সামগ্রী আমদানি নীতিমালা লঙ্ঘন করে দেশে আনা হয়েছিল। কাস্টমস সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে পাঠানো এই চালানটি ডাকযোগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (আইসিডি)-এর কাছে আগেই এ বিষয়ে গোপন তথ্য ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) চালানটি চট্টগ্রাম ফরেন পোস্ট অফিসে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে কাস্টমস হাউস চট্টগ্রাম, ডিএফআই ও পোস্ট অফিসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পণ্যগুলোর বিস্তারিত তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুত করে সেগুলো জব্দ করা হয়। জব্দ করা পণ্যগুলো মোট ২৮টি কার্টনে আনা হয়েছিল। প্রতিটি কার্টনে প্রায় ৩০ কেজি করে মোট ৮০০ কেজি ‘গৌড়ি’ ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের ক্রিম ছিল, যা মূলত ত্বক ফর্সা করার প্রসাধনী হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার প্রভাত কুমার সিংহ বলেন, জব্দ করা প্রসাধনী সামগ্রীগুলো আমদানি নীতি বহির্ভূতভাবে দেশে আনা হয়েছে। এ কারণে পণ্যগুলো রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বা

চট্টগ্রাম ফরেন পোস্ট অফিসে অবৈধ ‘পাকিস্তানি গৌড়ি’ ক্রিম জব্দ

চট্টগ্রামের ফরেন পোস্ট অফিসে বিপুল সংখ্যক অবৈধ পাকিস্তানি ‘গৌড়ি’ ব্র্যান্ডের ফর্সা করার ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এসব প্রসাধনী সামগ্রী আমদানি নীতিমালা লঙ্ঘন করে দেশে আনা হয়েছিল।

কাস্টমস সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে পাঠানো এই চালানটি ডাকযোগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (আইসিডি)-এর কাছে আগেই এ বিষয়ে গোপন তথ্য ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) চালানটি চট্টগ্রাম ফরেন পোস্ট অফিসে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে কাস্টমস হাউস চট্টগ্রাম, ডিএফআই ও পোস্ট অফিসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পণ্যগুলোর বিস্তারিত তালিকা (ইনভেন্টরি) প্রস্তুত করে সেগুলো জব্দ করা হয়।

জব্দ করা পণ্যগুলো মোট ২৮টি কার্টনে আনা হয়েছিল। প্রতিটি কার্টনে প্রায় ৩০ কেজি করে মোট ৮০০ কেজি ‘গৌড়ি’ ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের ক্রিম ছিল, যা মূলত ত্বক ফর্সা করার প্রসাধনী হিসেবে পরিচিত।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার প্রভাত কুমার সিংহ বলেন, জব্দ করা প্রসাধনী সামগ্রীগুলো আমদানি নীতি বহির্ভূতভাবে দেশে আনা হয়েছে। এ কারণে পণ্যগুলো রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী পরবর্তীতে এগুলো ধ্বংস করা হবে।

বৈদেশিক ডাক বিভাগের (পিএবি শাখা) রাজস্ব কর্মকর্তা সবুর শেখ বলেন, জব্দের পর আপাতত পণ্যগুলো কাস্টমসের নিলাম শেডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow