চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১০টি জ্বালানিবাহী জাহাজ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যখন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই তেল-গ্যাস নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ও বন্দরে ভিড়ছে ১০টি জাহাজ। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার আগেই পারস্য উপসাগর ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে রওনা হওয়া এসব জাহাজ এখন একে একে বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এরমধ্যে রোববার (৮ মার্চ) ৮টি জাহাজের তথ্য নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, এসব জাহাজে মোট প্রায় পৌনে ৪ লাখ টন জ্বালানি পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি জাহাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং বাকি চারটি জাহাজে ডিজেল, ফার্নেস তেল ও কনডেনসেটসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য বলছে, কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামে আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। চারটি জাহাজে মোট প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যখন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই তেল-গ্যাস নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ও বন্দরে ভিড়ছে ১০টি জাহাজ। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার আগেই পারস্য উপসাগর ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে রওনা হওয়া এসব জাহাজ এখন একে একে বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে।
এরমধ্যে রোববার (৮ মার্চ) ৮টি জাহাজের তথ্য নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, এসব জাহাজে মোট প্রায় পৌনে ৪ লাখ টন জ্বালানি পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি জাহাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং বাকি চারটি জাহাজে ডিজেল, ফার্নেস তেল ও কনডেনসেটসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য বলছে, কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামে আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চারটি জাহাজে মোট প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এসব জাহাজ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে সংঘাত শুরুর দুই থেকে সাত দিন আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে।
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় সরকার খোলাবাজার থেকে তুলনামূলক বেশি দামে দুটি এলএনজি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা এখনো বন্দরে পৌঁছায়নি।
বাংলাদেশে এলপিজির বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। সংঘাত শুরুর আগেই ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ নামে একটি জাহাজ রোববার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে একই বন্দর থেকে ‘জি ওয়াইএমএম’ নামে আরেকটি এলপিজিবাহী জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি নিয়ে বন্দরে পৌঁছেছে। দুই জাহাজে মোট ৪১ হাজার ৪৮৮ টন এলপিজি রয়েছে।
শিপিং এজেন্ট সূত্রে জানা গেছে, এই এলপিজির মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার টন এনেছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি। বাকি এলপিজি এনেছে জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস লিমিটেড।
এ ছাড়া দেশের ডিজেল মজুত কমতে থাকায় ৩১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘এসপিটি থেমিস’ নামের একটি জাহাজ বন্দরের পথে রয়েছে। জাহাজটি আগামী ১২ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য থেকে জানা গেছে।
অন্যদিকে মালয়েশিয়া থেকে ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এই কনডেনসেট থেকে ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও এলপিজি উৎপাদন করা হয়। এর পাশাপাশি সিঙ্গাপুর থেকে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল নিয়ে আরও দুটি জাহাজ বন্দরে এসেছে।
What's Your Reaction?