চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ৩
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে বিএনপির প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সরওয়ার আলমগীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিনসহ ৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হয়েছে ৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র। এছাড়া তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা মনোনয়ন যাচাই করেন। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সরওয়ার আলমগীর ও জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী। বাতিল হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার ও আহমদ কবির এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচ এম আফরাফ বিন ইয়াকুব। এর মধ্যে- জিন্নাত আক্তার প্রদত্ত ১ শতাংশ ভোটারদের মধ্যে দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে আটজনই সাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাই বাতিল করা হয়েছে। মধ্যে- জিন্নাত আক্তার প্রদত্ত ১ শতাংশ ভোটারদের মধ্যে দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। এ
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে বিএনপির প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সরওয়ার আলমগীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিনসহ ৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হয়েছে ৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র। এছাড়া তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা মনোনয়ন যাচাই করেন।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সরওয়ার আলমগীর ও জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী।
বাতিল হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার ও আহমদ কবির এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচ এম আফরাফ বিন ইয়াকুব।
এর মধ্যে- জিন্নাত আক্তার প্রদত্ত ১ শতাংশ ভোটারদের মধ্যে দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে আটজনই সাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাই বাতিল করা হয়েছে। মধ্যে- জিন্নাত আক্তার প্রদত্ত ১ শতাংশ ভোটারদের মধ্যে দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে আটজনই সাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাই বাতিল করা হয়েছে। আহমদ কবিরের ১২ (ক-১) ধারা অনুসারে ১ শতাংশ ভোটারের সাক্ষর না থাকায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়াও, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুব দলীয় মনোনয়ন ও হলফনামা না দেয়ায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
সময় বেঁধে দেয়া প্রার্থীরা হলেন- সুপ্রিম পার্টির দুই প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ ও মো. ওসমান আলী এবং গণ অধিকার পরিষদের রবিউল হাসান।তাদের মধ্যে- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদকে শুক্রবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তথ্য ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
একই আসনে একই দলের প্রার্থী মো. ওসমান আলীও উপস্থিত ছিলেন না। তথ্য ঘাটতি থাকায় তাকেও বিকাল ৪টার মধ্যে উপস্থিত হয়ে তথ্যাবলী সংযুক্ত করতে হবে।
গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসানের সমর্থনকারীর সাক্ষর না থাকায় সাক্ষরের জন্য চারটা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।
আগামী ৪ জানুয়ারির পর চারদিনের মধ্যে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
উল্লেখ, চট্টগ্রাম-২ আসনে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করে ৯ জন জমা দেন।
What's Your Reaction?