চট্টগ্রামকে বিলবোর্ডমুক্ত করার ঘোষণা, কাজীর দেউরীতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

চট্টগ্রাম নগরীকে পরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে অবৈধ বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, পর্যায়ক্রমে নগরীকে বিলবোর্ডমুক্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে নগরের ব্যস্ত এলাকা কাজীর দেউরীতে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এর আগে সকালে চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। অভিযানে সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট টিম, প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই স্থাপিত বিভিন্ন আকারের বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক সিগন্যাল ও সাইনবোর্ড আড়াল হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল। উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে কাজীর দেউরী মোড়ে দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। অভিযান পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম শহ

চট্টগ্রামকে বিলবোর্ডমুক্ত করার ঘোষণা, কাজীর দেউরীতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

চট্টগ্রাম নগরীকে পরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে অবৈধ বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, পর্যায়ক্রমে নগরীকে বিলবোর্ডমুক্ত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে নগরের ব্যস্ত এলাকা কাজীর দেউরীতে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এর আগে সকালে চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

অভিযানে সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট টিম, প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই স্থাপিত বিভিন্ন আকারের বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক সিগন্যাল ও সাইনবোর্ড আড়াল হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল। উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে কাজীর দেউরী মোড়ে দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

অভিযান পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম শহরকে বিলবোর্ডের জঞ্জাল থেকে মুক্ত করতে সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার। অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ড স্থাপন করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত নীতিমালা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিজ্ঞাপন স্থাপন করতে হবে। অন্যথায় নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, উম্মে কুলসুম, শাহরীন ফেরদৌসী, রক্তিম চৌধুরী, প্রণয় চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা এবং বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়েও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নগর গড়ে তুলতে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow