চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করলো রাজশাহী

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চট্টগ্রাম রয়্যালস- দুই দল আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করেছিলো। দখল করে রেখেছে শীর্ষ দুটি পজিশন। আজ তাদের মধ্যে লড়াই ছিল, কে শীর্ষে থেকে প্লে-অফে উঠবে, তার। সেই লড়াইয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেই এবারের বিপিএরের প্লে-অফে উঠে এলো। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লো স্কোরিং ম্যাচে দুই দলকেই খাবি খেতে হয়েছে। চট্টগ্রাম রয়্যালস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সংগ্রহ করেছিল মাত্র ১২৫ রান। জবাব দিতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ২০তম ওভার পর্যন্ত যেতে হয়েছে। ১৯.৩ ওভারে গিয়ে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছায় দলটি। এই জয়ের মাধ্যমে ১০ ম্যাচ শেষে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১৬। ৯ ম্যাচে চট্টগ্রামের পয়েন্ট ১২। বাকি ম্যচটি জিতলেও তারা রাজশাহীকে ছুঁতে পারবে না। সিলেটের ম্যাচ বাকি নেই। রংপুরের একটি বাকি। তাদেরও রাজশাহীকে ছোঁয়ার সাধ্য নেই। টস জিতে প্রথমে চট্টগ্রামকে ব্যাট করতে পাঠায় রাজশাহী। ব্যাট করতে নেমে নেমে চট্টগ্রামের কোনো ব্যাটারই ঠিকমত দাঁড়াতে পারেনি। ১৯.৫ ওভারে ১২৫ রানে অলআউট হতে হয়েছে। সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন আসিফ আলি। ১৯ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। ১৮

চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করলো রাজশাহী

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চট্টগ্রাম রয়্যালস- দুই দল আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করেছিলো। দখল করে রেখেছে শীর্ষ দুটি পজিশন। আজ তাদের মধ্যে লড়াই ছিল, কে শীর্ষে থেকে প্লে-অফে উঠবে, তার। সেই লড়াইয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেই এবারের বিপিএরের প্লে-অফে উঠে এলো।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লো স্কোরিং ম্যাচে দুই দলকেই খাবি খেতে হয়েছে। চট্টগ্রাম রয়্যালস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সংগ্রহ করেছিল মাত্র ১২৫ রান। জবাব দিতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ২০তম ওভার পর্যন্ত যেতে হয়েছে। ১৯.৩ ওভারে গিয়ে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছায় দলটি।

এই জয়ের মাধ্যমে ১০ ম্যাচ শেষে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১৬। ৯ ম্যাচে চট্টগ্রামের পয়েন্ট ১২। বাকি ম্যচটি জিতলেও তারা রাজশাহীকে ছুঁতে পারবে না। সিলেটের ম্যাচ বাকি নেই। রংপুরের একটি বাকি। তাদেরও রাজশাহীকে ছোঁয়ার সাধ্য নেই।

টস জিতে প্রথমে চট্টগ্রামকে ব্যাট করতে পাঠায় রাজশাহী। ব্যাট করতে নেমে নেমে চট্টগ্রামের কোনো ব্যাটারই ঠিকমত দাঁড়াতে পারেনি। ১৯.৫ ওভারে ১২৫ রানে অলআউট হতে হয়েছে। সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন আসিফ আলি। ১৯ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। ১৮ রান করেন হাসান নওয়াজ। তানজিম হাসান সাকিব একাই নেন ৪ উইকেট। এই ম্যাচে অ্যাডাম রজিংটনকে দারুণভাবে মিস করেছে চট্টগ্রাম।

জবাব দিতে নেমে ভুগতে হয়েছে রাজশাহীকেও। তবে মুশফিকুর রহিমের ৪১ বলে অপরাজিত ৪৬ এবং আকবর আলীর ৪১ বরে ৪৮ রানে ভর করে শেষ মুহূর্তে এসে জয় পায় রাজশাহী।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow