চট্টগ্রামে চার বছরে সংগ্রহ ৩২ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য
চট্টগ্রাম নগরীর প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এই শহর থেকে ৩২ হাজার টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত এই বর্জ্যের ৭০ শতাংশই ছিল পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ‘ফ্লেক্সিবল প্লাস্টিক’। সোমবার (১১ মে) নগরীর একটি অনুষ্ঠানে ইউনিলিভার বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশনের (ইপসা) মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব নবায়ন উপলক্ষে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির বিগত বছরগুলোর অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের মেয়াদ আরও দুই বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, শুধু বর্জ্য সংগ্রহ নয়, এই খাতের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ২২০ জন স্ক্র্যাপ ক্রেতাকে (ভাঙারিওয়ালা) পেশাদার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই স্ক্র্যাপ ক্রেতাদের অর্ধেকেরই নিজস্ব ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে এবং সকল অংশগ্রহণকারীর সক্রিয় ব্যাংক হিসাব নিশ্চিত করা
চট্টগ্রাম নগরীর প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এই শহর থেকে ৩২ হাজার টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত এই বর্জ্যের ৭০ শতাংশই ছিল পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ‘ফ্লেক্সিবল প্লাস্টিক’।
সোমবার (১১ মে) নগরীর একটি অনুষ্ঠানে ইউনিলিভার বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশনের (ইপসা) মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব নবায়ন উপলক্ষে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির বিগত বছরগুলোর অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের মেয়াদ আরও দুই বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, শুধু বর্জ্য সংগ্রহ নয়, এই খাতের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ২২০ জন স্ক্র্যাপ ক্রেতাকে (ভাঙারিওয়ালা) পেশাদার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই স্ক্র্যাপ ক্রেতাদের অর্ধেকেরই নিজস্ব ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে এবং সকল অংশগ্রহণকারীর সক্রিয় ব্যাংক হিসাব নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় থাকা ১ হাজার ৮২৭ জন কর্মী এখন গ্রুপ লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুবিধার অন্তর্ভুক্ত। ফলে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বা অক্ষমতার ক্ষেত্রে তারা এখন আর্থিক সুরক্ষা পাবেন। এ ছাড়া প্রায় ২ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে প্রদান করা হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও বিমার আওতায় এনে যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, তা একটি টেকসই ও সবুজ চট্টগ্রাম বিনির্মাণে সহায়ক হবে।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুহুল কুদ্দুস খান বলেন, আমরা গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মডেল নিয়ে কাজ করছি। চট্টগ্রামের এই মডেলটি বর্জ্যকর্মীদের সহায়তা ও সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি উদাহরণ তৈরি করেছে।
ইপসার প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার পরিবার এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার শিক্ষার্থীর কাছে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছরে এই কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ইপসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশের পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) শামিমা আক্তার প্রমুখ।
What's Your Reaction?