চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন
চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল হত্যা মামলায় ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থ দণ্ড দেওয়া হয়। সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন। মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মোহাম্মদ জাবেদ, নুরুল আলম, সুমন মোল্লা, হারুন অর রশিদ, তপন চন্দ্র সরকার, মিন্টু দাশ, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মোহাম্মদ সোহেল ও মোহাম্মদ বাবুল। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ বলেন, ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি পাঁচজন পলাতক। ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর নগরের টাইগারপাস বাটালি পাহাড়ের পাদদেশে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন পুলিশ কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম। আহত হন অন্য তিন কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম, সাহাবউদ্দিন ও সালাউদ্দিন। এ ঘটনায়
চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল হত্যা মামলায় ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থ দণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন।
মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মোহাম্মদ জাবেদ, নুরুল আলম, সুমন মোল্লা, হারুন অর রশিদ, তপন চন্দ্র সরকার, মিন্টু দাশ, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মোহাম্মদ সোহেল ও মোহাম্মদ বাবুল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ বলেন, ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি পাঁচজন পলাতক।
২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর নগরের টাইগারপাস বাটালি পাহাড়ের পাদদেশে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন পুলিশ কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম। আহত হন অন্য তিন কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম, সাহাবউদ্দিন ও সালাউদ্দিন। এ ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে খুলশী থানায় মামলা করে পুলিশ। আসামিদের বেশির ভাগ যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। গ্রেপ্তার আসামিরা স্বীকার করেন, তাঁরা চাপাতি দিয়ে পুলিশ সদস্যদের কুপিয়েছেন। প্রথমে তাঁরা চারজন ছিলেন। পরে অন্যরা এসে পুলিশ সদস্যদের কোপান। ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
What's Your Reaction?