চট্টগ্রামে বর্জ্য ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের উদ্যোগ
বর্জ্য ও জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক সমাধান খুঁজতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে নগর ভবনে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতিনিধি দলে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সুইপস্মার্ট ও সিডিআর ইন্টারন্যাশনালের কারিগরি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
সভায় চট্টগ্রাম মহানগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ড্রেনেজ পরিষ্কার কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই সমাধান নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়। এ সময় বিশেষজ্ঞ দল ‘ইন্টিগ্রেটেড সলিড ওয়েস্ট অ্যান্ড ড্রেনেজ ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের ফলাফল উপস্থাপন করে।
চসিকের পক্ষ থেকে গবেষণাটির প্রশংসা করে জানানো হয়, প্রতিবেদনটি হাতে পাওয়ার পর তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ নগরের পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় এ
বর্জ্য ও জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক সমাধান খুঁজতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে নগর ভবনে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতিনিধি দলে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সুইপস্মার্ট ও সিডিআর ইন্টারন্যাশনালের কারিগরি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
সভায় চট্টগ্রাম মহানগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ড্রেনেজ পরিষ্কার কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই সমাধান নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়। এ সময় বিশেষজ্ঞ দল ‘ইন্টিগ্রেটেড সলিড ওয়েস্ট অ্যান্ড ড্রেনেজ ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ে প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের ফলাফল উপস্থাপন করে।
চসিকের পক্ষ থেকে গবেষণাটির প্রশংসা করে জানানো হয়, প্রতিবেদনটি হাতে পাওয়ার পর তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ নগরের পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
বৈঠকে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। নেদারল্যান্ডসের পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করে চসিক। একই সঙ্গে প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণে প্রয়োজনীয় ভূমি নিশ্চিত করার বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।
চসিক জানিয়েছে, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। এ প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের বর্জ্য ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক, কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।
চসিকের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি এবং মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন প্রথম সচিব ইঙ্গে ক্লাসেন, বিশেষজ্ঞ নিল্টজে কিলেন এবং সিনিয়র পলিসি অফিসার শিবলী সাদিক।
সফরের অংশ হিসেবে ডাচ রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দল হালিশহর ল্যান্ডফিল এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন।