চট্টগ্রামে বিতর্কিত ‘মনোরেল’ চুক্তি বাতিল করল চসিক
চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বহুল আলোচিত মনোরেল প্রকল্পের সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। মনোরেলের জন্য চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিসরীয় দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা ও আন্তর্জাতিক জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসার পর সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই চুক্তি বাতিলে চূড়ান্ত আদেশ জারি করেন।
বুধবার (২৪ জুন) চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চুক্তি বাতিল সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন। এর আগে মিসরভিত্তিক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘ওরাসকম কনস্ট্রাকশন’ ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য আরব কন্ট্রাক্টরসের অনুমোদিত প্রতিনিধি দাবি করা কাউছার আলম চৌধুরী আসলে কোনো প্রতিষ্ঠানেরই প্রতিনিধি নন বলে মিসরীয় দূতাবাস বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।
জানা যায়, এই মেগা প্রকল্পের জন্য বিশ্বখ্যাত মিসরীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান 'ওরাসকম কনস্ট্রাকশন' ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ গ্রুপ 'দ্য আরব কন্ট্রাক্টরস'র নাম ব্যবহার করে চুক্তি করেছিলেন কাউছার আলম চৌধুরী নামক এই ব্যক্তি। কিন্তু ঢাকায় নিযুক্ত মিসরীয
চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বহুল আলোচিত মনোরেল প্রকল্পের সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। মনোরেলের জন্য চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিসরীয় দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা ও আন্তর্জাতিক জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসার পর সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই চুক্তি বাতিলে চূড়ান্ত আদেশ জারি করেন।
বুধবার (২৪ জুন) চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চুক্তি বাতিল সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন। এর আগে মিসরভিত্তিক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘ওরাসকম কনস্ট্রাকশন’ ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য আরব কন্ট্রাক্টরসের অনুমোদিত প্রতিনিধি দাবি করা কাউছার আলম চৌধুরী আসলে কোনো প্রতিষ্ঠানেরই প্রতিনিধি নন বলে মিসরীয় দূতাবাস বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।
জানা যায়, এই মেগা প্রকল্পের জন্য বিশ্বখ্যাত মিসরীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান 'ওরাসকম কনস্ট্রাকশন' ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ গ্রুপ 'দ্য আরব কন্ট্রাক্টরস'র নাম ব্যবহার করে চুক্তি করেছিলেন কাউছার আলম চৌধুরী নামক এই ব্যক্তি। কিন্তু ঢাকায় নিযুক্ত মিসরীয় দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (বিডা) জানায় যে, চুক্তিতে অংশ নেওয়া কাউছার আলম চৌধুরী আসলে কোনো প্রতিষ্ঠানেরই অনুমোদিত বা আইনগত প্রতিনিধি নন।
২০২৫ সালের ১ জুন চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এই মনোরেল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে জমকালো আয়োজনে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তখন এটিকে চট্টগ্রামের যানজট নিরসনে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে প্রচার করা হয়।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে এই জালিয়াতি ও ভুয়া প্রতিনিধির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এটি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর পরপরই মিসরীয় দূতাবাসের লিখিত সতর্কবার্তা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন দ্রুত এই ভুয়া চুক্তি বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।