চট্টগ্রামে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তৌসিফ আহমেদকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সদরঘাট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তৌসিফ সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ী টং ফকির মাজার লেন এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুল হাই ও নুর বেগমের ছেলে। পুলিশ জানায়, সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরীফের নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) নুর উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৪ জুন ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(খ) ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২) ধারায় মামলা করেন। মামলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, পর্নোগ্রাফি তৈরি এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। এমআরএএইচ/এমএএইচ/
চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তৌসিফ আহমেদকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সদরঘাট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তৌসিফ সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ী টং ফকির মাজার লেন এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুল হাই ও নুর বেগমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরীফের নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) নুর উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৪ জুন ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(খ) ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২) ধারায় মামলা করেন। মামলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, পর্নোগ্রাফি তৈরি এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?