চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, ভোট পড়েছে ৪১.৭৫ শতাংশ
বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ, সহিংসতা বা উল্লেখযোগ্য অনিয়ম ছাড়াই চট্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলার ১৬টি আসনের সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নারী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের অংশগ্রহণও ছিল উল্লেখযোগ্য। দুপুর ৩টা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে ৪১.৭৫ শতাংশ। সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ৫২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে ৩১ শতাংশ। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মাঠে ছিলেন। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও কোস্টগার্ডের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ছিল। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। আনোয়ারায় এক প্রার্থীর এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পটিয়ায় সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি, ফটিকছড়িতে নির্ধারিত সময়ের আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে উত্তেজনা এবং সাতকানিয়ায় প্রি
বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ, সহিংসতা বা উল্লেখযোগ্য অনিয়ম ছাড়াই চট্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলার ১৬টি আসনের সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নারী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের অংশগ্রহণও ছিল উল্লেখযোগ্য। দুপুর ৩টা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে ৪১.৭৫ শতাংশ। সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ৫২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে ৩১ শতাংশ।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মাঠে ছিলেন। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও কোস্টগার্ডের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ছিল।
তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। আনোয়ারায় এক প্রার্থীর এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পটিয়ায় সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি, ফটিকছড়িতে নির্ধারিত সময়ের আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে উত্তেজনা এবং সাতকানিয়ায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটে। নগরের আকবর শাহ এলাকায় ছুরিকাঘাতে এক ভোটার আহত হন। বোয়ালখালীতেও একজনকে আটক করা হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, অভিযোগ পাওয়া মাত্র ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ভোট দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন প্রার্থী। জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত তৎপরতায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট গণনা শুরু হয়।
What's Your Reaction?