চট্টগ্রামে ভয়াবহ আগুন

চট্টগ্রামের সাগরিকা এলাকায় একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আগুনের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রোববার (২৯ মার্চ) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে সাগরিকা এলাকার বিডি ফুড লিমিটেডের মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার কোল্ড স্টোরেজ বা ফ্রিজিং ইউনিটে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। কারখানার ভেতর থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা গেলে কর্মচারীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং আশপাশের লোকজনও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে একে একে ৮টি ইউনিট পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কোল্ড স্টোরেজের সীমিত জায়গা এবং ভেতরে থাকা যন্ত্রপাতির কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। তবে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার সময় মুহূর্তের মধ্যে ঘন ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে আশপাশের দোকানপাট ও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অ

চট্টগ্রামে ভয়াবহ আগুন

চট্টগ্রামের সাগরিকা এলাকায় একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আগুনের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার (২৯ মার্চ) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে সাগরিকা এলাকার বিডি ফুড লিমিটেডের মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার কোল্ড স্টোরেজ বা ফ্রিজিং ইউনিটে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। কারখানার ভেতর থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা গেলে কর্মচারীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং আশপাশের লোকজনও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে একে একে ৮টি ইউনিট পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কোল্ড স্টোরেজের সীমিত জায়গা এবং ভেতরে থাকা যন্ত্রপাতির কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। তবে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার সময় মুহূর্তের মধ্যে ঘন ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে আশপাশের দোকানপাট ও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকেই নিরাপত্তার জন্য এলাকা থেকে দূরে সরে যান।

উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, কোল্ড স্টোরেজের ভেতরে দাহ্য উপকরণ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ছিল। তবে সময়মতো একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কারণে আগুন বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নেওয়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুরো এলাকা নিরাপদ।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক সংযোগ বা যন্ত্রপাতির ত্রুটির কারণে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে মোট ৮টি ইউনিট ও ১২টি ফায়ার ট্রাক অংশ নেয়। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow