চট্টগ্রামে হাম-রুবেলার টিকাদান শুরু, লক্ষ্য ৩ লাখের বেশি শিশু

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় ৩ লাখেরও বেশি শিশুকে হাম ও রুবেলার টিকার আওতায় আনতে মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। আগামী ২০ মে পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। সোমবার (২০ এপ্রিল) নগরের মেমন-২ চসিক জেনারেল হাসপাতালে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেই উদ্বোধন করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হোসনে আরা, ডা. তপন কুমার, ডা. খাদিজা আহমেদ ও ডা. আব্দুল মজিদ শিকদারসহ অন্য কর্মকর্তারা। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে। চসিক সূত্র জানায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন পরিচালনা করা হবে। কর্মসূচির

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলার টিকাদান শুরু, লক্ষ্য ৩ লাখের বেশি শিশু

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় ৩ লাখেরও বেশি শিশুকে হাম ও রুবেলার টিকার আওতায় আনতে মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। আগামী ২০ মে পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) নগরের মেমন-২ চসিক জেনারেল হাসপাতালে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেই উদ্বোধন করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হোসনে আরা, ডা. তপন কুমার, ডা. খাদিজা আহমেদ ও ডা. আব্দুল মজিদ শিকদারসহ অন্য কর্মকর্তারা।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

চসিক সূত্র জানায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন পরিচালনা করা হবে।

কর্মসূচির আওতায় ১৭ ডিজিটের জন্মনিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য অভিভাবকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশুই টিকা থেকে বঞ্চিত হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, ধর্মীয় নেতা ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, মাইকিং এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য বিভাগ ও চসিকের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, গ্যাভি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সহযোগিতা করছে।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow