চট্টগ্রামে ১৯ বছর আগে শাওন হত্যার ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম নগরে ১৯ বছর আগে শিক্ষার্থী ফসিউর রহমান শাওনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে ষষ্ঠ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আককাস এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, শহীদ রাজা, আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল। তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রাকিব উদ্দীন জানান, ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনজ্বালানি সংকটে সিলেটের শাহজালাল সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ সরকারি খরচে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ, যানবাহন কেনায় কড়াকড়ি  দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অন্য তিনজন আদালতে উপস্থিত থাকায় তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই কোতোয়ালি থানার বাদশা মিয়া সড়ক এলাকা থেকে শাওনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কোচিংয়ে যাওয়ার পথে তিনি ‘গাম

চট্টগ্রামে ১৯ বছর আগে শাওন হত্যার ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম নগরে ১৯ বছর আগে শিক্ষার্থী ফসিউর রহমান শাওনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে ষষ্ঠ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আককাস এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, শহীদ রাজা, আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল। তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রাকিব উদ্দীন জানান, ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন
জ্বালানি সংকটে সিলেটের শাহজালাল সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ 
সরকারি খরচে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ, যানবাহন কেনায় কড়াকড়ি 

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অন্য তিনজন আদালতে উপস্থিত থাকায় তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই কোতোয়ালি থানার বাদশা মিয়া সড়ক এলাকা থেকে শাওনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কোচিংয়ে যাওয়ার পথে তিনি ‘গামছা পার্টি’ নামে পরিচিত একটি চক্রের শিকার হন।

পুলিশ জানায়, সে সময় নগরে সক্রিয় এই চক্রটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বা সহকারী সেজে যাত্রীদের কাছ থেকে মালামাল লুট করতো। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ ফেলে যেত।

ঘটনার পর তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

এমআরএএইচ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow