চতুর্থ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, পন্টুন সরিয়ে তল্লাশি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে নিমজ্জিত হওয়ার ঘটনায় টানা চতুর্থ দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।  শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টার পর থেকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়। উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে এবার ঘাটের পন্টুন সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পন্টুনের নিচে কোনো মরদেহ আটকে আছে কি না, তা নিশ্চিত হতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পন্টুনটি সরিয়ে ফেলার পর ওই নির্দিষ্ট স্থানে ডুবুরি দল বিশেষ তল্লাশি চালাবে। সকাল থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও নদীর উত্তাল পরিস্থিতির কারণে অভিযান বারবার ব্যাহত হচ্ছে। নদীতে তীব্র ঢেউ ও বাতাসের কারণে ডুবুরি ও উদ্ধারকারী দল কাজ শুরু করতে বেগ পোহাচ্ছে। রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে উদ্ধার কাজে অংশ নিচ্ছেন। বিআইডব্লিউটিসির উদ্ধারকারী বোট ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা পন্টুন সরানোর অপেক্ষায় আছি। তবে বৈরী আবহ

চতুর্থ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, পন্টুন সরিয়ে তল্লাশি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে নিমজ্জিত হওয়ার ঘটনায় টানা চতুর্থ দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। 

শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টার পর থেকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়।

উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে এবার ঘাটের পন্টুন সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পন্টুনের নিচে কোনো মরদেহ আটকে আছে কি না, তা নিশ্চিত হতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পন্টুনটি সরিয়ে ফেলার পর ওই নির্দিষ্ট স্থানে ডুবুরি দল বিশেষ তল্লাশি চালাবে।

সকাল থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও নদীর উত্তাল পরিস্থিতির কারণে অভিযান বারবার ব্যাহত হচ্ছে। নদীতে তীব্র ঢেউ ও বাতাসের কারণে ডুবুরি ও উদ্ধারকারী দল কাজ শুরু করতে বেগ পোহাচ্ছে।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে উদ্ধার কাজে অংশ নিচ্ছেন। বিআইডব্লিউটিসির উদ্ধারকারী বোট ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা পন্টুন সরানোর অপেক্ষায় আছি। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। নদীতে ঢেউ বেশি থাকায় উদ্ধারকাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হলেই পুরোদমে তল্লাশি শুরু করা হবে। 

ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজদের স্বজনসহ স্থানীয়রা ঘাট এলাকায় ভিড় করে উদ্ধার অভিযানের অগ্রগতির অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। তবে উদ্ধার কাজ ঠিক কখন শেষ হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow