চবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলা, সড়ক অবরোধ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মেহেদী হাসান নামের এক শিক্ষার্থীর উপর হামলা করেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। এ ঘটনায় জিরো পয়েন্ট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেট এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষার্থীরা জিরো পয়েন্টে মতলব ফুড কর্ণারের সামনে অবস্থান নিয়ে কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করেন। পরে অবরোধ তুলে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান ১৮-১৯ সেশন মেরিন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালক হামলা চালায়। এ সময় তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয় এবং তার চশমা ভেঙে ফেলে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জিরো পয়েন্ট থেকে এক নম্বর গেট পর্যন্ত নির্ধারিত ৭ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ভাড়া দাবি করলে প্রতিবাদ করেন ওই শিক্ষার্থী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত চালক হামলা চালায়। হামলার সময় আশপাশের অন্যান্য সিএনজি চালকদের কাছ থেকে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযুক্ত সিএনজি চালকের নাম মোহাম্মদ হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বলে জান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মেহেদী হাসান নামের এক শিক্ষার্থীর উপর হামলা করেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। এ ঘটনায় জিরো পয়েন্ট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেট এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষার্থীরা জিরো পয়েন্টে মতলব ফুড কর্ণারের সামনে অবস্থান নিয়ে কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করেন। পরে অবরোধ তুলে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান ১৮-১৯ সেশন মেরিন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালক হামলা চালায়। এ সময় তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয় এবং তার চশমা ভেঙে ফেলে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জিরো পয়েন্ট থেকে এক নম্বর গেট পর্যন্ত নির্ধারিত ৭ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ভাড়া দাবি করলে প্রতিবাদ করেন ওই শিক্ষার্থী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত চালক হামলা চালায়। হামলার সময় আশপাশের অন্যান্য সিএনজি চালকদের কাছ থেকে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযুক্ত সিএনজি চালকের নাম মোহাম্মদ হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
চাকসুর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, এরা সিএনজি চালালেও ক্যাম্পাসের মাদক সংগ্রহ করা বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব ঘটনা আগে ঘটেছে আমরা প্রশাসনকে পুলিশ বক্সের কথা জানিয়েছি। অন্তত একজন পুলিশ থাকলে এ ধরনের ঘটনা কখনো ঘটত না। কিন্তু প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো কখনো মেনে নেয়নি এবং পুলিশ প্রশাসনও কোনো কথা শুনেনি।
বিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) কামাল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তকে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত জিরো পয়েন্ট থেকে এক নম্বর গেট পর্যন্ত সিএনজি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিকল্প হিসেবে সীমিত আকারে বাস চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত চালক পলাতক থাকায় তার পরিবারকে ডাকা হয়েছে, সিএনজির সমিতিকেও ডাকা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে দেখতে গিয়েছিলাম।