চবিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের ৫ দিনের ছুটির দাবি
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা এবং ওই সময়ের সকল পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দেওয়া স্মারকলিপিতে তারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিন্ন ভাষাভাষী ১৪টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রায় ৭০০ এর বেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। এসব জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বিঝু, বিষু, বৈসু, বিহু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রান প্রতিবছর ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত উদ্যাপিত হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল) সরকারি ছুটির আওতায় থাকলেও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরদের এসব ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে প্রতিবছর নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রধান সামাজিক উৎসব উদ্যাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরও জানান, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করা
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা এবং ওই সময়ের সকল পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দেওয়া স্মারকলিপিতে তারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিন্ন ভাষাভাষী ১৪টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রায় ৭০০ এর বেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। এসব জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বিঝু, বিষু, বৈসু, বিহু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রান প্রতিবছর ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত উদ্যাপিত হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল) সরকারি ছুটির আওতায় থাকলেও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরদের এসব ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে প্রতিবছর নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রধান সামাজিক উৎসব উদ্যাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরও জানান, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে তাদের সাংস্কৃতিক উৎসবগুলো উপেক্ষিত থাকায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, অতীতে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন থেকে এসব উৎসবের দিনের পরীক্ষা পিছিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে এসব উৎসব উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে।
তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকসংখ্যক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত থাকলেও এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসেনি বলে অভিযোগ করেন তারা।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা ও ওই সময়ের মধ্যে নির্ধারিত সকল পরীক্ষা স্থগিত করে সংশোধিত রুটিন প্রকাশ করার দাবি জানান।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের জাল্লাং এনরিকো কুবি বলেন, উপাচার্য বিষয়টি দেখবেন বলেছেন। তবে আমরা এ বছর প্রথম স্মারকলিপি জমা দিয়েছি বিষয়টা এমন না, আমরা প্রতিবছরই স্মারকলিপি দিয়ে থাকি কিন্তু কোনোবারেই আমাদের ছুটির বিষয়টি গ্রহণ করা হয় না।
সমাজতত্ত্ব বিভাগের ভাগ্য কুমার ত্রিপুরা বলেন, বছরের এই সময়টাতে আমার যারা পড়াশুনা বা চাকরির কাজে পাহাড়ের বাইরে থাকি তারা মিলিত হবার সুযোগ পাই না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সময় পরীক্ষা বা গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস থাকার কারণে আমরা এই একমাত্র সুযোগটুকুও হারিয়ে ফেলি।