চবিতে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি, ভিন্ন পথে কার্যালয়ে গেলেন উপ-উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন মূল গেট দিয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে এই কর্মসূচি শুরু হয়।  কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এরমধ্যে রয়েছে, ‘প্রশাসনের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’; ‘শিক্ষার নামে বৈষম্য, চলবে না’; ‘শিক্ষার নামে নিয়োগ, চলবে না’; ‘অবিলম্বে প্রশাসনের পদত্যাগ চাই’ ইত্যাদি। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের মূল গেট দিয়ে ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন অধ্যাপক কামাল উদ্দিন। তবে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কারণে তিনি মূল গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে প্রশাসনিক ভবনের অন্য একটি গেট দিয়ে প্রবেশ করে তিনি উপরে উঠে যান। শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘গত দেড় বছরে নিয়োগের না

চবিতে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি, ভিন্ন পথে কার্যালয়ে গেলেন উপ-উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন মূল গেট দিয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। 

কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এরমধ্যে রয়েছে, ‘প্রশাসনের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’; ‘শিক্ষার নামে বৈষম্য, চলবে না’; ‘শিক্ষার নামে নিয়োগ, চলবে না’; ‘অবিলম্বে প্রশাসনের পদত্যাগ চাই’ ইত্যাদি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের মূল গেট দিয়ে ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন অধ্যাপক কামাল উদ্দিন। তবে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কারণে তিনি মূল গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে প্রশাসনিক ভবনের অন্য একটি গেট দিয়ে প্রবেশ করে তিনি উপরে উঠে যান।

শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘গত দেড় বছরে নিয়োগের নামে দলীয়করণ ও এলাকাকরণ করা হয়েছে। যত অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি ভিসি, উপ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।’

সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব কোনো কাজ করছে না। তারা শুধু নিয়োগ নিয়েই ব্যস্ত। হাতে গোনা কিছু কাজ দেখিয়ে দায় সারা হচ্ছে। এই প্রশাসনের পদত্যাগ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক কামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আমাকে বাধা দেওয়া হয়। এরপর অন্য একটি গেট দিয়ে প্রবেশ করি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow