চমেক হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন-দালালমুক্ত করা হবে: চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দালালমুক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অরাজকতা ও অনিয়ম দূর করে হাসপাতালকে জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বুধবার (১০ জুন) চমেক হাসপাতালে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও মানবিক হাসপাতালে রূপান্তর করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। মেয়র বলেন, হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে অনিয়ম ও নৈরাজ্য বন্ধে নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা কার্যকর করা হবে। অতীতে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম আর সহ্য করা হবে না। হাসপাতাল এলাকার অবৈধ দখল ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান মেয়র। তিনি বলেন, ওয়ালি বেগ খাঁ মসজিদ থেকে মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত পুরো
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দালালমুক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অরাজকতা ও অনিয়ম দূর করে হাসপাতালকে জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
বুধবার (১০ জুন) চমেক হাসপাতালে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও মানবিক হাসপাতালে রূপান্তর করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
মেয়র বলেন, হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে অনিয়ম ও নৈরাজ্য বন্ধে নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা কার্যকর করা হবে। অতীতে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম আর সহ্য করা হবে না।
হাসপাতাল এলাকার অবৈধ দখল ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান মেয়র। তিনি বলেন, ওয়ালি বেগ খাঁ মসজিদ থেকে মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত পুরো ফুটপাতকে নিরাপদ পথচারী জোন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে ভাসমান দোকান, ফল বা ডাব বিক্রেতা এবং ট্রলি ব্যবসা পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
এলাকাটিকে সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় এনে সবুজায়ন ও গ্রাফিতির মাধ্যমে আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করা হবে।
চমেক হাসপাতালকে ধূমপান ও মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষণার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ধূমপান বা মাদকসেবনের কোনো সুযোগ থাকবে না। এ বিষয়ে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে নিয়মিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান মেয়র। একই সঙ্গে হাসপাতালের পানি সংকট নিরসনে নতুন গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হাসপাতালের দালালচক্র, রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার সিন্ডিকেট এবং ওষুধ ব্যবসায়ীদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, রোগীরা যেন স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা পান, সেটিই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, সিটি করপোরেশন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাসপাতাল এলাকার বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন করেন মেয়র। এসময় তিনি প্রতিটি দোকানে ডাস্টবিন রাখার এবং সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি হাসপাতাল এলাকার নালা-নর্দমায় মশার লার্ভা ধ্বংসে ওষুধ ছিটানো হয়।
এমআরএএইচ/ইএ
What's Your Reaction?