চশমা সাইদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরের মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীসাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’কে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৪ জুন) সকালে যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইদ সরদার রঘুরামপুর গ্রামের নয়া সরদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশের ঝোপের মধ্যে রক্ত দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা সাইদ সরদারের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহের পাশেই একটি ধারাল চাকু পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ব্যবসা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে। ঘটন
যশোরের মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীসাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’কে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৪ জুন) সকালে যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাইদ সরদার রঘুরামপুর গ্রামের নয়া সরদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশের ঝোপের মধ্যে রক্ত দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা সাইদ সরদারের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহের পাশেই একটি ধারাল চাকু পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ব্যবসা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে। ঘটনার কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
What's Your Reaction?